সোনাগাজীর অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ৩টি মেশিন পুড়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত

124

সোনাগাজীর প্রতিনিধিঃ  ফেনীর সোনাগাজীর মুহুরী সেচ প্রকল্প এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের সাংসদ হাজী রহিম উল্যাহর মালিকীয় একটি ড্রেজার ও দুটি স্কেভেটর মেশিন পুড়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত এবং প্রায় সাড়ে ৩ লাখ সিফটি বালি জব্দ করে উম্মুক্ত নিলামে দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ফেনী সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার(ভূমি) স্নেহাশীষ দাস এ অভিযান চালান। এসময় র‍্যাব-৭ ফেনী ক্যাম্পের বিপুল সংখ্যক র‍্যাব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, ফেনী-৩ আসেনের সাংসদ হাজী রহিম উল্যাহ মুহুরী সেচ প্রকল্প এলাকায় মুহুরী নদী থেকে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে আসছে। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্নেহাশীষ দাসের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই একটি বালি উত্তোলনের ড্রজার, ২টি স্কেভেটর মেশিন পেট্রোল ঢেলে পুড়ে দেয়া হয়। এসময় সাড়ে তিন লাখ সিফটি বালি জব্দ করে তাৎক্ষণিক উম্মুক্ত নিলাম আহবান করেন।

উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন তাৎক্ষণিক সর্বোচ্চ দর ৭লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে নিলাম গ্রহন করেন। সর্বনিন্ম দর দেন ৭লাখ টাকা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক হিরন। তবে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে সাংসদ রহিম উল্যাহ বললেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, জেলা প্রশাসক থেকে বৈধভাবে তার ভাতিজার বেলাল এন্টার প্রাইজের নামে ইজারা নিয়ে তিনি বালি উত্তোলন করে আসছেন এবং তার জমিতে উত্তোলিত বালি মজুদ করে রেখেছেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক স্নেহাশীষ দাস বলেন, কোন রকম ইজারা ছাড়া অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করার অভিযোগে এ অভিযান চালানো হয়।