চট্টগ্রামের ভাড়াটিয়াসহ নগরবাসীদের তথ্য সংগ্রহ করেছে সিএমপি পুলিশ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে শুধুমাত্র ভাড়াটিয়া নয়, সব নগরবাসীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রামের পুলিশ প্রশাসন। নগরবাসীর যাবতীয় তথ্য সংরক্ষিত থাকবে বিশেষ সফটওয়ারে। এ লক্ষ্যে নগরীর ১০ লাখ বাসা-বাড়িতে ফরম সরবারহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দেড় লাখ মানুষের তথ্য যুক্ত হয়ে গেছে ডাটা ব্যাংকে। এবার তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বিট পুলিশের সদস্যদের।

এক থেকে দেড় বছর ধরে দেশে জঙ্গিবাদী কর্মকান্ড আশংকাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও শুরু হয় ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের কাজ। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে অনেকটা ভেস্তে গেছে পুলিশের এ প্রকল্প। তবে এবার কিছুটা ভিন্ন পন্থা গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।

‘নাগরিক তথ্য পরিচিতি’ নামের এ ফরমের মাধ্যমে নগরীতে অবস্থানকারী প্রতিটি পরিবারকে একটি স্বতন্ত্র নম্বর দেয়া হবে। যেটি নগরীতে অবস্থানকালীন পুরোটা সময় তার ব্যক্তিগত নম্বর হিসেবেই বিবেচিত হবে।

গত এক থেকে দেড় মাস ধরে নগরীর ১৬টি থানা এলাকায় বিট পুলিশের সদস্যদের দিয়ে ফরম বিলি করেছে পুলিশ প্রশাসন। আর নির্ভুলভাবে ফরম পূরণের বিষয়টি তদারকি করবে থানার অফিসার ইনচার্জ।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানেও রয়ে গেছে, নাগরিকদের দেয়া তথ্য চুরি কিংবা হ্যাকিংয়ের আশংকা।

৬০ বর্গমাইলের এ চট্টগ্রামে বাস করেন অন্তত ৬০ লাখ মানুষ। প্রতি ৫০ হাজার নাগরিকের জন্য একটি করে বিটের লক্ষ্য নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে পুলিশের পক্ষ থেকে ১২০টি বিট স্থাপন করা হয়েছে।