নবীগঞ্জে মাজারের নামে ভূয়া পশুরহাট, “ভুয়া হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে” : ইউএনও

মাজারের খাদেম বললেন আমরা জানিনা

নবীগঞ্জ সংবাদদাতাঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে হযরত শাহ জালাল (রহঃ) এর অন্যতম সফরসঙ্গী হযরত শাহবুদ (রহঃ) এর মাজার উন্নয়নের নাম কওে অস্থায়ী ভূয়া পশুরহাট এনে এখন বিপাকে পড়েছেন মোঃ আলী আকবর নামের লোক।

এমনকি এ ব্যাপারে মাজার কমিটির কেহ কিছু না জানায় মাজার কমিটির লোকজনদের ও এলাকাবাসীর মধ্যে সমালোচনা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের জালালসাপ গ্রামের ধনর আলীর পুত্র মোঃ আলী আকবর গত ১ই আগষ্ট হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর ও দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য স্থানীয় সরকার উপ- পরিচালক হবিগঞ্জ এর নিকট একখানা আবেদন দাখিল করেন।ওই আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ওই ইউনিয়নের জালালসাপ গ্রামে পশুরহাট না থাকায় এলাকার জনসাধারণ অনেক দুরে গিয়ে কোরবানীর গরু,ছাগল ক্রয়-বিক্রয় করতে হচ্ছে। এ

বং অনেক সময় কোরবানীর জন্য ক্রয়কৃত পশু বাড়িতে আনার সময় চুর ও ডাকাতের কবলে পড়তে হয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে জালালসাপ গ্রামে কোরবানীর পশুরহাট বসানো প্রয়োজন রয়েছে। এমনকি ওই স্থান সহাসড়কের থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে গত ৬ ই আগষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুমতি প্রদান করেছেন। কিন্তু শাহাবুদ (রহঃ) মাজার কমিটির লোকজনদের নিকট ওই সংবাদটি পৌছলে তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন ওলির নামে ভুয়া আবেদন করে চল-ছাতুরী যারা করেছেন তারা  বড় ধরণের অন্যায় করেছেন। এবং আবেদনে মহাসড়কের ৩কিলোমিটার পশ্চিমে জালালসাপ গ্রাম উল্লেখ করলেও মুলত অর্ধ কিলোমিটারের ভেতরে রয়েছে ওই গ্রাম।

এখন দেখা যাচ্ছে,ওই গ্রামের নামে পশুর হাঠ ইজারা আনলে ও তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের প্রায় ১শ গজের ভেতরে পশুর হাঠ বসিয়েছেন। গত বুধবার বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে এমন চিত্র। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ইউপি সদস্য বলেন একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে। তারা পশুরহাঠ ইজারা এনে নিজের পকেট ভারি করে।

এ ব্যাপারে হযরত শাহ জালাল (রহঃ) এর অন্যতম সফরসঙ্গীঁ হযরত শাহাবুদ (রহঃ) এর মাজারের দায়িত্বরত খাদেম শাহ্ মোঃ আলী হায়দারের সাথে জানতে চাইলে তিনি বলেন,মাজারের নামে পশুর হাঠ আনার ব্যাপারে আমরা মাজার কমিটির কেহ এ বিষয়ে কিছুই জানিনা।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজিনা সারোয়ার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ওই পশুর হাঠটি জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে তারা ইজারা এনেছে।

তিনি আরো বলেন মাজারের নামে ভূয়া ইজারা আনা হলে,বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।ওই এলাকার সচেতন মহল মনে করেন একজন ওলির নামে যারা ভুয়াও ভিত্তিহীনভাবে যারা চল-ছাতুরী করেছে অবশ্যই তারা বেয়াদবি করেছে। সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা জরুরী।