বাবার ব্যর্থতার রাতে ছেলে সিমিওনের রেকর্ড স্পর্শ

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

ইতালির নাপোলিতে এক সিমিওনের জয়োল্লাস, স্পেনের মাদ্রিদে আরেক সিমিওনের ব্যর্থতায় ভেঙে পড়া- সিমিওনে পরিবারের দুই পুরুষের বুধবার রাতের গল্পটা ঠিক এমনই ছিল। গোল করে নিজের দল নাপোলির রাউন্ড অফ সিক্সটিনে তোলেন ছেলে জিওভান্নি সিমিওনে। অপরদিকে তারই বাবা ডিয়েগো সিমিওনের দল এথলেটিকো মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বাজে বিদায় ঘণ্টা।

গ্রুপ স্টেজে শুরুর চারটা ম্যাচে জয় তুলে নেয়ায় নাপোলির জন্য এই ম্যাচ ড্র করাই যথেষ্ট ছিল পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য। এই ম্যাচে নাপোলি একাদশে সুযোগ পান জিওভান্নি সিমিওনে। তার করা জোড়া গোলেই ৩-০ গোলে রেঞ্জার্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগের পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে নাপোলি।

বিপরীতে ডিয়েগো সিমিওনের এথলেটিকো মাদ্রিদের সামনে পরের রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনা জাগিয়ে রাখার জন্য বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। কিন্তু নিজেদের ঘরের মাঠে লেভারকুসেনের বিপক্ষে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে এথলেটিকো মাদ্রিদ, ফলে গ্রুপ স্টেজ থেকেই বিদায় নিতে হচ্ছে সিমিওনের শিষ্যদের।

বাবার ব্যর্থতার রাতে বাবার করা আরেক রেকর্ড স্পর্শ করেন জিও সিমিওনে। আর্জেন্টাইনদের মধ্যে নিজের প্রথম চার চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক গোল করার রেকর্ড এত দিন ডিয়েগো সিমিওনের অধীনে ছিল। ১৯৯৬ সালে এথলেটিকো মাদ্রিদ এর হয়ে নিজের প্রথম চার চ্যাম্পিয়নস লিগে সিমিওনে সিনিয়র করেন ৪ গোল৷ এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেক ঘটানো জিওভান্নি সিমিওনেও চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম চার ম্যাচ খেলে বাবার সমান সংখ্যক চার গোল করেন।

বাবার রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন, ম্যাচ পরবর্তী ইন্টারভিউ এ প্রশ্নকর্তা জিওভান্নি সিমিওনে কে সেটা জানালে সে অবাক হোন এবং বলেন, ‘আমি জানতাম না তো। আমার এত দূর আসার পেছনে আমার পরিবারের অবদান সবচেয়ে বেশি। আমিও নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেস্টা করি। কোচও আজ আমাকে নিজের মতো খেলার পরিপূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন।’

ছেলের জন্য এটা বাবার রেকর্ড স্পর্শ করার রাত হলেও এই রাত বাবার ম্যানেজার ক্যারিয়ার এর সবচেয়ে কঠিন রাত ছিল। ডিয়েগো সিমিওনে জানান, ‘এটা অনেক কঠিন এবং অকল্পনীয় একটি মুহূর্ত। তবে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’

বিডিসংবাদ/এএইচএস