মরমী

কবি নাশিদা খান চৌধুরী।

নাশিদা খান চৌধুরী

“একটুকো ছোঁয়া লাগে
একটুকু কথা শুনি”…
.
স্মারকচিহ্ন রেখে যাওয়া গভীরতায় মোহিতা অাচ্ছন্ন !
সে অার্দ্রতায় জোছনাকুমারী জেগেছে,
মাঝ পুকুরে পদ্মফুল বিকশিত তার আলোক সিক্ততায় !
.
তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিল দিশেহারা –
হঠাৎ সরল প্রাণে তারা হয়ে জ্বলে ওঠে জোনাক আঁখি !
সৌরভ রাত ফুরিয়ে এলে মৌনী এলিয়ে পড়ে ।
এমন সময় লোভী হয়ে ওঠে হাসি, বিস্তারে
চোখে ফোটে
গালে ফোটে
নাক
ঠোঁট
ত্বক … সমস্তে সমস্তে …
.
বিন্দু বিন্দু করে ফোটে তার প্রমোদ ভেলা,
ফোটে চন্দ্রকেশ,
তার আলোকসজ্জা,
বিহ্বল স্রোতে গা ভাসিয়ে হারিয়ে নেয় স্বেচ্ছায় !
এটুকু সময় তার আজন্মের বাসনা !
এটুকু হাসিই তার ভূবন ভোলানো তৃষা !
.
ঠিক সে সময়টা সে ক্ষণজন্মার আশীষ চায় ঈশ্বরের কাছে,
যেন ভাসতে ভাসতে পানসী হয়ে চলে যায় সমুদ্র ধরে ।
.
রঙের রস ছেড়ে ভেসে ওঠে ক্ষণিকের ছবি,
ভেসে ওঠে যত্নে ;
ধীর পায়ে উঠে আসে পদ্মফুল,
যেন চাঁদ উঠে এলো জল ছেড়ে পরিতৃপ্তা !
.
শত জন্মের নিমগ্ন আজ অঙ্কুরিতা
সহজিয়ায় প্রস্ফুটিত একাকিত্বে কি সমুদ্রজনে,
যুগ যুগ প্রার্থনায়, জ্ঞানে-ধ্যানে
নিভৃতা চিনে নিয়েছে তার পথ
একাগ্রতায়
অারাধ্য সেই ভালবাসায় …
.
“তাই দিয়ে মনে মনে
রচি মম ফাল্গুনী”…