রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসের ঘটনার তৃতীয় দিনে আরো ৩টি লাশ উদ্ধার, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত

রাঙ্গামাটি শহরে বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও জ্বালানি তেলের সংকট

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসের ঘটনায় তৃতীয় দিনের উদ্ধার অভিযানে নিখোঁজ সেনা সদস্য মোঃ আজিজসহ আরো ৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শহরের সার্কিট হাউজে পিছনে পাহাড়ী খাদ থেকে এক নারী, ভেদভেদী বিএডিসি এলাকা থেকে ১জন ও শহরের মানিকছড়ি পাহাড়ী খাদ থেকে আরো একটি লাশসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা ৩টি স্থান থেকে এই তিনটি লাশ উদ্ধার করে। এর মধ্যে দুইটি পুরুষ ও একটি মহিলা রয়েছে। এপর্যন্ত রাঙ্গামাটিতে নিহত সংখ্যা ১০৮ জন।

এর মধ্যে রাঙ্গামাটি শহরে ৫ সেনা সদস্যসহ ৬১ জন, কাউখালী উপজেলায় ২৩ জন, কাপ্তাই উপজেলায় ১৮ জন, জুরাছড়ি উপজেলায় ৪ জন ও বিলাইছড়ি উপজেলায় ২ জন মারা গেছে।

সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা শহরের ভেদভেদী যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মনোঘর, লোকনাথ মন্দির এলাকা, শিমুলতলী, রূপনগর, মানিকছড়ি এলাকাসহ আশেপাশে এলাকায় আরো নিহতের সন্ধ্যানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।

রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এর শাল বন এলাকায় ১০০ মিটার রাস্তা ৩০ ফুট জায়গা পাহাড়ের নীচে তলিয়ে গেছে। রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানে ১০০ মিটার রাস্তা ৪০ থেকে ৫০ ফুট গভীরে তলিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্থ মুল সড়কের পাশে পাহাড়ে পুনরায় কেটে বাইপাস করে সড়ক তৈরীর চেস্টা করছে সেনা বাহিনী ও সড়ক বিভাগের কর্মীরা।
রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম সড়কের ক্ষতিগ্রস্থ স্থান সমূহে মাটি সরানোর কাজ শুরু হলেও এখনো সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গনেরও পাহাড় ধ্বসের কারণে সড়ক যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে।