সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সওজ’র খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জায়গা দখলের হিড়িক

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রাস্তার পাশের সড়ক ও জনপদের জায়গা দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে প্রভাবশালী মহল। এ যেন সরকারী জায়গা দখলের মহোৎসবে পরিণত হয়েছে। তারপরও দেখার কেউ নেই। সরকারী জায়গা দখল করে প্রভাবশালীরা বাড়ি ঘর নির্মাণ করে দিব্যি বসবাস করে যাচ্ছে। কেউ বা আবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য।

আবার কেউ কেউ জায়গার মালিক বনে গিয়ে দলের প্রভাব খাঁটিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভাড়া খেয়ে যাচ্ছেন। তার পরও যেন মাথা ব্যাথা নেই সড়ক ও জনপদের কর্তা ব্যক্তিদের। তবে অভিযোগ আছে দুস্কৃতিকারীদের সাথে আঁতাত রয়েছে স্থানীয় সওজ কমকর্তাদের। তবে এসকল দখল-দখল খেলায় জড়িত আছে খোঁদ রাজনৈতিক অঙ্গনের বড় নেতারাও। রাজনৈতিকে পুঁজি করে ঘটে চলেছে বেশির ভাগ জায়গা জবর-দখল।

বর্তমানে সওজ’র বেশির ভাগ অবৈধ ভাবে দখলকৃত জায়গা রয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের হাতে। মহাসড়কের পাশ ঘেষে গুইমারা উপজেলার গুইমারা বিজিবি সেক্টর এর পাশের সড়কে অবৈধ ভাবে বেশ কয়েকটি পরিবার সড়ক ও জনপদের জায়গা দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জালিয়াপাড়ার সওজ’র দখলকৃত জায়গা বিজিরি সেক্টর ও সেনা ব্রিগেটের পাশে হওয়ায় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়টি হুমকির সম্মুখিন হচ্ছে বলে দাবী স্থানীয়দের। এছাড়াও হাসপাতাল ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। দখলকৃত জায়গার উপর নির্মিত বাসায় চলছে নানা অসামাজিক কার্যকলাপসহ নানা অপকর্ম। সম্প্রতি ১৫ বছরের এক কিশোর জোর পুর্বক ধর্ষণের ঘটনায় এ ধরনের তথ্য বেরিয়ে আছে। এছাড়াও হাতিমুড়া,গাড়ীটানাসহ জেলাজুড়ে মহাসড়কের দু’পাশে রয়েছে অবৈধ দখল। এ সকল দখলের কারণে নানা সমস্যাসহ বাড়ছে দূর্ঘটনাও।

স্থানীয় সচেতন মহল সরকারী জায়গা অবৈধ দখল মুক্ত করতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দখলদারদের হাত থেকে জায়গামুক্ত করে নিরাপদ সড়ক স্থানীয়দের উপহার দিতে যথাযথ হস্থক্ষেপ কামনা করেন। “অবৈধ ভাবে সড়কের পাশের সরকারী জায়গা দখলের বিষয়ে খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী সাথে কথা বলতে বার বার টেলিফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।