ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় ইয়াবা-গাঁজাসহ পাঁচ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নেত্রকোনায় সাংবাদিকের ওপর হামলা: তদন্তে মাঠে পুলিশ স্পেনের কাছে হুরজেট বিক্রির সংখ্যা বাড়াচ্ছে তুরস্ক মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আবেগঘন পোস্ট দিলেন অভিনেতা অপূর্ব লেবাননে বিস্ফোরকবাহী ট্রাক জব্দ, কঠোর অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার কামচাতকায় ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কাউকে দমন করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা ঝুঁকিতে শাহ আমানত বিমানবন্দর: রানওয়েতে দফায় দফায় চুরি নুরের বক্তৃতায় মগবাজার-বাংলামোটর তোলপাড়: মন্তব্য রাশেদ খাঁনের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে জরিমানা গুনলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ

হাজী সেলিমের ছেলে আটক

  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০
  • / 242
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিমকে আটক করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে বাসা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে র‍্যাবের একটি সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে আজ ভোরে ভুক্তভোগী নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মোঃ ওয়াসিফ আহমেদ ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিম (৩৭), তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ (৩৫), হাজি সেলিমের মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫), গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ (৩০) অজ্ঞাতপরিচয়ের দু-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির কলাবাগান মোড়ে হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মোঃ ওয়াসিফ আহমেদকে মারধর করা হয়। ঘটনার পর পর গাড়িটি ফেলে এর নম্বরপ্লেট ভেঙ্গে চলে যান হাজী সেলিমের ছেলে ও তার বডিগার্ডরা।

রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও আজ ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এরফানের গাড়ি ওয়াসিফকে ধাক্কা মারার পর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসাথে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনি মেরে ফেলব’ বলে কিল-ঘুষি মারেন এবং আমার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।’

‘তারা আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। পরে আমার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

মামলায় মোট পাঁচটি ফৌজদারি অপরাধের ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অপরাধগুলো হলো- দণ্ডবিধি ১৪৩ অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়ে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলকভাবে বল প্রয়োগ করা, ৩৪১ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, ৩৩২ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার কাজে বাধাদানের উদ্দেশ্যে আহত করা, ৩৫৩ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার ওপর বল প্রয়োগ করা এবং ৫০৬ ধারায় প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হাজী সেলিমের ছেলে আটক

আপডেট সময় : ০৪:২৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিমকে আটক করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে বাসা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে র‍্যাবের একটি সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে আজ ভোরে ভুক্তভোগী নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মোঃ ওয়াসিফ আহমেদ ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিম (৩৭), তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ (৩৫), হাজি সেলিমের মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫), গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ (৩০) অজ্ঞাতপরিচয়ের দু-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির কলাবাগান মোড়ে হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মোঃ ওয়াসিফ আহমেদকে মারধর করা হয়। ঘটনার পর পর গাড়িটি ফেলে এর নম্বরপ্লেট ভেঙ্গে চলে যান হাজী সেলিমের ছেলে ও তার বডিগার্ডরা।

রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও আজ ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এরফানের গাড়ি ওয়াসিফকে ধাক্কা মারার পর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসাথে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনি মেরে ফেলব’ বলে কিল-ঘুষি মারেন এবং আমার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।’

‘তারা আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। পরে আমার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

মামলায় মোট পাঁচটি ফৌজদারি অপরাধের ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অপরাধগুলো হলো- দণ্ডবিধি ১৪৩ অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়ে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলকভাবে বল প্রয়োগ করা, ৩৪১ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, ৩৩২ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার কাজে বাধাদানের উদ্দেশ্যে আহত করা, ৩৫৩ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার ওপর বল প্রয়োগ করা এবং ৫০৬ ধারায় প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার।