দুই যুগ আগের মামলায় ১০৪ বছর বয়সে কারাগারে বৃদ্ধ
- আপডেট সময় : ০৮:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 36
কিশোরগঞ্জের বড় বাজারে দুই যুগ আগে সংঘটিত ডাকাতি ও জোড়া খুনের ঘটনায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত নুর মোহাম্মদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বর্তমানে ১০৪ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ মঙ্গলবার ঢাকার চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত তার সেই আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর জানান, শুনানিকালে নুর মোহাম্মদ নিজেকে জটিল রোগে আক্রান্ত দাবি করে অসুস্থতার বিবেচনায় নিজ খরচে পরিবহনে কারাগারে যাওয়ার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেননি। এর আগে নুর মোহাম্মদ এই মামলায় হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে জামিনে বেরিয়ে পলাতক ছিলেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জের বড় বাজারে ফেরদৌসের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় ডাকাতরা দোকানের সিন্দুক ভেঙে সাড়ে ১২ লাখ টাকা এবং ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতির সময় মোশাররফ হোসেন ও আ. নামের দুই ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় ফেরদৌস বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জ থানার এসআই আনোয়ার হোসেন ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণের পর ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর আদালত রায় ঘোষণা করেন। সেই রায়ে নুর মোহাম্মদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর অবশেষে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুই যুগ আগে কিশোরগঞ্জে এক দোকানে ডাকাতির পর দুই ব্যক্তিকে খুনের দায়ে ১০ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে গেলেন ১০৪ বঠর বয়সি নুর মোহাম্মদ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মামলার বিচার চলাকালে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রায়ে হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে মামলার বিচার চলাকালে হারিছ মিয়া মারা যান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ১৯ অগাস্ট উচ্চ আদালত আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।




















