বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতেই আছেন, ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা
- আপডেট সময় : ১০:১৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 24
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের (ঢাকা-১৪) উত্থাপিত এক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, বেনজীর আহমেদ সেন্ট লুসিয়ায় যাননি।
মীর আহমদ বিন কাসেমের তথ্যের সংশোধন করে হুমায়ুন কবির বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টের ভিত্তিতে বেনজীর সেন্ট লুসিয়া গেছেন বলে ধারণা করা হলেও, দূতাবাসের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এমন কোনো বিষয়ে তারা অবগত নয়, যার অর্থ তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। তাকে নজরদারিতে রাখতে আমিরাত সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকলেও বিশেষ বিবেচনায় এই পলাতক ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার সক্রিয় কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কঠোর পরিশ্রম করছে। বেনজীর আহমেদকে ‘জাতির দুশমন’ আখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৫ বছর ধরে তিনি সাধারণ মানুষসহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতাকর্মীর ওপর নিপীড়ন চালিয়েছেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। তাকে বিচারের আওতায় আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে হুমায়ুন কবির বলেন, বিরোধী দলে থাকাকালীন তিনি যে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার তাকে কেবল জামায়াতের সদস্য হিসেবে নয়, একজন বিরোধীদলীয় কর্মী হিসেবে দেখে, যিনি মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।
এ সময় গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে কর্নেল জিয়াও রয়েছেন। তিনি সিলেট অঞ্চলের সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলীকে গুম ও হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এই বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশ লুটে ও মানুষ হত্যা করে যারা পালিয়েছেন, তাদের প্রত্যেককে ধরে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে দলমত নির্বিশেষে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সক্রিয় কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে বিশেষ বিবেচনায় জঘন্য এই হত্যাকারীকে ফিরিয়ে আনতে পারি।’ বেনজীর আহমেদকে ‘খুনি’ ও ‘জাতির দুশমন’ আখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষকে নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই খুনি শুধু আপনাদের (জামায়াত) বা বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেনি, সে সাধারণ মানুষকেও হত্যা করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, আপনার তথ্যে কিছুটা ঘাটতি আছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিচারের দীর্ঘ হাত দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া প্রত্যেক সন্ত্রাসীকে টেনে-হিঁচড়ে ফিরিয়ে আনবে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে প্রতিটি আলাদা ঘটনার ভিত্তিতে বিশেষ বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের সরকার ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার আওতায় সেই অপরাধীদের প্রত্যেককে ধরে তাদের বিচার করতে সফল হবে।


















