ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তিন সিটির উন্নয়নসহ ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন লটারি বাতিল করে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ রসায়নে নোবেল পেলেন জাপান ও ফ্রান্সের দুই বিজ্ঞানী দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে কমছে যাত্রী সংখ্যা জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল, লিটারে বৃদ্ধি ১৭ টাকা বড়াইগ্রামের সানাউল্লাহ বাবু নিহতের ১৬ বছর: বিচারের অপেক্ষায় পরিবার দিল্লিতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর উচ্চপর্যায়ের সিরিজ বৈঠক রাজাপুরে যুবদল নেতাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার রায় আগামীকাল

  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 18
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সংগঠনটির সাত প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায়ের জন্য এই দিন নির্ধারণ করেছেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্যমতে, মামলার আসামিদের মধ্যে ওবায়দুল কাদের ছাড়াও রয়েছেন দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। বর্তমানে তারা সবাই পলাতক রয়েছেন। শুনানির সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ও ফারুক আহাম্মদসহ ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য কৌঁসুলিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিচারিক কার্যক্রমে দেখা যায়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া গত ২ আগস্ট শেষ হয় এবং তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরবর্তীতে ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হলে ট্রাইব্যুনাল মামলাটিকে রায়ের অপেক্ষায় রাখেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন বৈঠক ও সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। তারা সমন্বিতভাবে সহিংসতায় উসকানি প্রদান, নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করেন। তাদের এসব নির্দেশ ও প্ররোচনার ফলে সারাদেশে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ভয়াবহ দমন-পীড়নের ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার রায় আগামীকাল

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সংগঠনটির সাত প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায়ের জন্য এই দিন নির্ধারণ করেছেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্যমতে, মামলার আসামিদের মধ্যে ওবায়দুল কাদের ছাড়াও রয়েছেন দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। বর্তমানে তারা সবাই পলাতক রয়েছেন। শুনানির সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ও ফারুক আহাম্মদসহ ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য কৌঁসুলিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিচারিক কার্যক্রমে দেখা যায়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া গত ২ আগস্ট শেষ হয় এবং তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরবর্তীতে ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হলে ট্রাইব্যুনাল মামলাটিকে রায়ের অপেক্ষায় রাখেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন বৈঠক ও সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। তারা সমন্বিতভাবে সহিংসতায় উসকানি প্রদান, নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করেন। তাদের এসব নির্দেশ ও প্ররোচনার ফলে সারাদেশে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ভয়াবহ দমন-পীড়নের ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।