ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তিন সিটির উন্নয়নসহ ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন লটারি বাতিল করে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ রসায়নে নোবেল পেলেন জাপান ও ফ্রান্সের দুই বিজ্ঞানী দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে কমছে যাত্রী সংখ্যা জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল, লিটারে বৃদ্ধি ১৭ টাকা বড়াইগ্রামের সানাউল্লাহ বাবু নিহতের ১৬ বছর: বিচারের অপেক্ষায় পরিবার দিল্লিতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর উচ্চপর্যায়ের সিরিজ বৈঠক রাজাপুরে যুবদল নেতাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

দীর্ঘপাল্লার রুটে ভিয়েতনামের সান ফু কুওকের নতুন যাত্রা

  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 13
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর প্রায় ১০ মাস পর প্রথম ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ হিসেবে একটি এয়ারবাস এ৩৩০ গ্রহণ করেছে ভিয়েতনামের সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। গত ২২ সেপ্টেম্বর ফু কুওক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই উড়োজাহাজটি অবতরণ করে। নিবন্ধন নম্বর ভিএন-এ৯৬৯ সম্বলিত এই উড়োজাহাজটি পাওয়ার মাধ্যমে এয়ারলাইনটি এখন তাদের বিদ্যমান স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার সেবার গণ্ডি পেরিয়ে দীর্ঘপাল্লার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার নতুন যুগে প্রবেশ করল। এটি মূলত আগামী এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বহরে আটটি এ৩৩০ যুক্ত করার পরিকল্পনার প্রথম ধাপ।

এয়ারবাস এ৩৩০ মডেলটির সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ১৩ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার, যা ফু কুওক থেকে রাশিয়া, কাজাখস্তান, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দূরবর্তী গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরি করবে। যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য উড়োজাহাজটিতে তিনটি শ্রেণিতে মোট ২৪৭টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে বিজনেস শ্রেণিতে ২০টি, প্রিমিয়াম ইকোনমিতে ২১টি এবং ইকোনমি শ্রেণিতে ২০৬টি আসন থাকছে। পাশাপাশি কেবিনগুলোতে ব্যক্তিগত বিনোদন ব্যবস্থা ও ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যটন ও বিমান যোগাযোগের হাব হিসেবে ফু কুওককে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে বিমানবহর ১০০টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে তাদের। এয়ারলাইনটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ৩২টি, ২০২৭ সালে ৫৮টি, ২০২৮ সালে ৬৮টি, ২০২৯ সালে ৮২টি এবং ২০৩০ সালে বহরের আকার ১০০টিতে পৌঁছাবে। ২০৩০ সাল নাগাদ বহরে ৬৫টি ন্যারো-বডি এবং ৩৫টি ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এর বাইরেও ২০২৮ সাল থেকে অতিরিক্ত বোয়িং ৭৮৭ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা এবং ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহের জন্য ৪০টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি রয়েছে সংস্থাটির।

এয়ারলাইনটির সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফু কুওক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে অ্যাপেক ২০২৭ এবং ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা মেটাতে টার্মিনাল-১ আধুনিকায়নের পাশাপাশি নতুন টার্মিনাল-২ নির্মাণ করা হচ্ছে। আগামী ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে এই নতুন টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার প্রাথমিক বার্ষিক যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা প্রায় ২ কোটি। এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে চাইছে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মধ্যে ২০ আসনের বিজনেস শ্রেণি, ২১ আসনের প্রিমিয়াম ইকোনমি এবং ২০৬ আসনের ইকোনমি শ্রেণি রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিজনেস শ্রেণির আসনগুলো ১-২-১ বিন্যাসে এবং ইকোনমি শ্রেণির আসন ২-৪-২ বিন্যাসে সাজানো।

নিউজটি শেয়ার করুন

দীর্ঘপাল্লার রুটে ভিয়েতনামের সান ফু কুওকের নতুন যাত্রা

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর প্রায় ১০ মাস পর প্রথম ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ হিসেবে একটি এয়ারবাস এ৩৩০ গ্রহণ করেছে ভিয়েতনামের সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। গত ২২ সেপ্টেম্বর ফু কুওক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই উড়োজাহাজটি অবতরণ করে। নিবন্ধন নম্বর ভিএন-এ৯৬৯ সম্বলিত এই উড়োজাহাজটি পাওয়ার মাধ্যমে এয়ারলাইনটি এখন তাদের বিদ্যমান স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার সেবার গণ্ডি পেরিয়ে দীর্ঘপাল্লার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার নতুন যুগে প্রবেশ করল। এটি মূলত আগামী এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বহরে আটটি এ৩৩০ যুক্ত করার পরিকল্পনার প্রথম ধাপ।

এয়ারবাস এ৩৩০ মডেলটির সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ১৩ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার, যা ফু কুওক থেকে রাশিয়া, কাজাখস্তান, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দূরবর্তী গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরি করবে। যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য উড়োজাহাজটিতে তিনটি শ্রেণিতে মোট ২৪৭টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে বিজনেস শ্রেণিতে ২০টি, প্রিমিয়াম ইকোনমিতে ২১টি এবং ইকোনমি শ্রেণিতে ২০৬টি আসন থাকছে। পাশাপাশি কেবিনগুলোতে ব্যক্তিগত বিনোদন ব্যবস্থা ও ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যটন ও বিমান যোগাযোগের হাব হিসেবে ফু কুওককে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে বিমানবহর ১০০টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে তাদের। এয়ারলাইনটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ৩২টি, ২০২৭ সালে ৫৮টি, ২০২৮ সালে ৬৮টি, ২০২৯ সালে ৮২টি এবং ২০৩০ সালে বহরের আকার ১০০টিতে পৌঁছাবে। ২০৩০ সাল নাগাদ বহরে ৬৫টি ন্যারো-বডি এবং ৩৫টি ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এর বাইরেও ২০২৮ সাল থেকে অতিরিক্ত বোয়িং ৭৮৭ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা এবং ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহের জন্য ৪০টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি রয়েছে সংস্থাটির।

এয়ারলাইনটির সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফু কুওক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে অ্যাপেক ২০২৭ এবং ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা মেটাতে টার্মিনাল-১ আধুনিকায়নের পাশাপাশি নতুন টার্মিনাল-২ নির্মাণ করা হচ্ছে। আগামী ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে এই নতুন টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার প্রাথমিক বার্ষিক যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা প্রায় ২ কোটি। এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে চাইছে সান ফু কুওক এয়ারওয়েজ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মধ্যে ২০ আসনের বিজনেস শ্রেণি, ২১ আসনের প্রিমিয়াম ইকোনমি এবং ২০৬ আসনের ইকোনমি শ্রেণি রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিজনেস শ্রেণির আসনগুলো ১-২-১ বিন্যাসে এবং ইকোনমি শ্রেণির আসন ২-৪-২ বিন্যাসে সাজানো।