ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা স্বৈরাচার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি

নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েলের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচনের পক্ষে সরাসরি সমর্থন প্রদানে অস্বীকৃতি জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, নেতানিয়াহুকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া সমীচীন কি না। এর উত্তরে ট্রাম্প সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে জানান, তিনি বর্তমানে রাজনীতির সঙ্গে সেভাবে যুক্ত নেই। এর পরিবর্তে ইসরায়েলের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই তার কাছে প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী ও সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বা কাজের পরিধি নিয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, আইজেনকোট সম্পর্কে তিনি কোনো নেতিবাচক কথা শোনেননি। নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, এর আগেও বহুবার তাকে রাজনৈতিকভাবে শেষ বলে মনে করা হয়েছিল, ঠিক যেভাবে অনেকে তার নিজের বেলায়ও এমন ধারণা পোষণ করেছিলেন। তবে নিজের জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের দাবি, অতীতে নেওয়া নানা কঠোর নীতির কারণে ইসরায়েলি নাগরিকদের কাছে তার জনপ্রিয়তা প্রায় ৯৯ শতাংশ।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার বিষয়টিও খোলাসা করেন। তিনি জানান, শুরুতে চার থেকে আট সপ্তাহের একটি সামরিক পরিকল্পনার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। আর এ কারণেই অভিযানটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র পরে কৌশলগতভাবে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার শর্তে ইরানের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানান।

আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে বিমান হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প প্রথমে তা ‘সম্ভব’ বলে উল্লেখ করলেও পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদানে অস্বীকৃতি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচনের পক্ষে সরাসরি সমর্থন প্রদানে অস্বীকৃতি জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, নেতানিয়াহুকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া সমীচীন কি না। এর উত্তরে ট্রাম্প সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে জানান, তিনি বর্তমানে রাজনীতির সঙ্গে সেভাবে যুক্ত নেই। এর পরিবর্তে ইসরায়েলের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই তার কাছে প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী ও সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বা কাজের পরিধি নিয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, আইজেনকোট সম্পর্কে তিনি কোনো নেতিবাচক কথা শোনেননি। নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, এর আগেও বহুবার তাকে রাজনৈতিকভাবে শেষ বলে মনে করা হয়েছিল, ঠিক যেভাবে অনেকে তার নিজের বেলায়ও এমন ধারণা পোষণ করেছিলেন। তবে নিজের জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে ট্রাম্পের দাবি, অতীতে নেওয়া নানা কঠোর নীতির কারণে ইসরায়েলি নাগরিকদের কাছে তার জনপ্রিয়তা প্রায় ৯৯ শতাংশ।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার বিষয়টিও খোলাসা করেন। তিনি জানান, শুরুতে চার থেকে আট সপ্তাহের একটি সামরিক পরিকল্পনার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। আর এ কারণেই অভিযানটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র পরে কৌশলগতভাবে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার শর্তে ইরানের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানান।

আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে বিমান হামলার মাত্রা আরও বাড়ানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প প্রথমে তা ‘সম্ভব’ বলে উল্লেখ করলেও পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদানে অস্বীকৃতি জানান।