তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর
- আপডেট সময় : ১০:৩১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
- / 0
মাত্র তিন মাসের বেশি সময়ের ব্যবধানে নিজেদের উড়োজাহাজের বহর দ্বিগুণ করতে সক্ষম হয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা এয়ার অ্যাস্ট্রা। নতুন একটি এটিআর ৭২-৬০০ মডেলের উড়োজাহাজ তাদের বহরে যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে সংস্থাটির মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়টিতে। বুধবার নতুন এই উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এস২-এসটিএফ নিবন্ধনের এই উড়োজাহাজটি সর্বাধুনিক প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি পিডব্লিউ১২৭এক্সটি ইঞ্জিন দ্বারা চালিত এবং এতে মোট ৭২টি আসন রয়েছে।
এয়ার অ্যাস্ট্রার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এর আগে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে আরও দুটি নতুন এটিআর ৭২-৬০০ উড়োজাহাজ তাদের বহরে যুক্ত করা হয়েছিল। নতুন এই উড়োজাহাজ সংযোজন অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। একই সঙ্গে যাত্রীরা তুলনামূলক অধিক আরামদায়ক ও উন্নত সেবা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
এয়ার অ্যাস্ট্রার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ জানান, তৃতীয় নতুন এটিআর ৭২-৬০০ উড়োজাহাজটি যুক্ত হওয়া তাদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। মাত্র তিন মাসের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে উড়োজাহাজের সংখ্যা ছয়টিতে উন্নীত করার এই অর্জনকে তিনি এয়ার অ্যাস্ট্রার কর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং যাত্রী ও অংশীদারদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হলো। ভবিষ্যতে নতুন রুট চালুর ক্ষেত্রেও এয়ার অ্যাস্ট্রা এখন আরও বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছে। শুধু অভ্যন্তরীণ বাজার নয়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সংস্থাটি। আন্তর্জাতিক রুটে পরিচালনার জন্য বর্তমানে তারা সংকীর্ণ পরিসরের বা ন্যারো বডি উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।
সংস্থাটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় উড়োজাহাজ সংগ্রহ, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন লাভ এবং পরিচালন সংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারলে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন খাতে এয়ার অ্যাস্ট্রার অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরুর পূর্বে সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া এবং পরিচালন প্রস্তুতির ধাপগুলো অতিক্রম করা জরুরি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।





















