ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পায়তারা চলছে: তারেক রহমান সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের টস বন্ডের চারটি গুদাম সিলগালা দেশের দুই জেলায় বজ্রবৃষ্টিসহ ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি

দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পায়তারা চলছে: তারেক রহমান

  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচারী গোষ্ঠী দেশের মানুষের ভোটাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করেছিল। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে সেই শক্তির পতন ঘটলেও, বর্তমানে তারা এবং নেপথ্যের বিভিন্ন গুপ্ত মহল পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারা ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছিলাম বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই অপশক্তি নতুন নয়; ১৯৯১ ও ১৯৮৬ সালের বিভিন্ন নির্বাচনের সময়ও তারা গোপনে একইসঙ্গে কাজ করেছিল। নির্বাচনের পূর্বে ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রির মতো বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছিল, আর এখন তারা তথাকথিত ‘এক দফা’র দাবি তুলে সরকারের চলমান উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফেনীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসা পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিটি উপজেলায় ৩০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সেগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেছিলেন। এখন বর্তমান সরকার সেগুলোকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ ১৫০ শয্যায় রূপান্তর করবে। গ্রামের মানুষকে চিকিৎসার জন্য যেন শহরে যেতে না হয়, সে লক্ষ্যেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধায় স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হবে। ‎। স্থানীয় সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনুর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা নয়, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের দল হিসেবে সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সম্মানী প্রদানের কর্মসূচি এরই মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। এছাড়া নদী ও খাল খনন কর্মসূচি ফেনীর মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাস্তবায়ন হলে প্রায় ৩৪ হাজার টন ধান উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, যা সরাসরি কৃষক ও সাধারণ মানুষকে লাভবান করবে।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী দুপুরে পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ১,৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ হতে যাওয়া এই প্রকল্পের আওতায় ৬৭.৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১.৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩.৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার খনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই এলাকার মানুষ এতে বেশি উপকৃত হবে।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ফেনীর সরকারি ভবনের ছাদে স্থাপিত সোলার প্যানেল থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করেন। পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট সোলার সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জনসভায় তিনি উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কিছু অসাধু মহল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে, যাতে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হয়। এই ষড়যন্ত্রের দায় সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন যে, ‘দল যার যার, দেশটা সবার’। তাই গণতন্ত্র রক্ষায় এবং অপপ্রচার রোধে জনগণকে সব সময় সজাগ থাকতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ফেনী-১ আসনের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের মা বেগম খালেদা জিয়ার গভীর পারিবারিক ও রাজনৈতিক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তার নানা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে অবস্থিত। ১৯৯১ সাল থেকে এই আসনে খালেদা জিয়া পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এদিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু এবং ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পায়তারা চলছে: তারেক রহমান

আপডেট সময় : ১২:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

গত ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচারী গোষ্ঠী দেশের মানুষের ভোটাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করেছিল। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে সেই শক্তির পতন ঘটলেও, বর্তমানে তারা এবং নেপথ্যের বিভিন্ন গুপ্ত মহল পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারা ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছিলাম বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই অপশক্তি নতুন নয়; ১৯৯১ ও ১৯৮৬ সালের বিভিন্ন নির্বাচনের সময়ও তারা গোপনে একইসঙ্গে কাজ করেছিল। নির্বাচনের পূর্বে ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রির মতো বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছিল, আর এখন তারা তথাকথিত ‘এক দফা’র দাবি তুলে সরকারের চলমান উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফেনীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসা পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিটি উপজেলায় ৩০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সেগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেছিলেন। এখন বর্তমান সরকার সেগুলোকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ ১৫০ শয্যায় রূপান্তর করবে। গ্রামের মানুষকে চিকিৎসার জন্য যেন শহরে যেতে না হয়, সে লক্ষ্যেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধায় স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হবে। ‎। স্থানীয় সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনুর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা নয়, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের দল হিসেবে সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সম্মানী প্রদানের কর্মসূচি এরই মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। এছাড়া নদী ও খাল খনন কর্মসূচি ফেনীর মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাস্তবায়ন হলে প্রায় ৩৪ হাজার টন ধান উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, যা সরাসরি কৃষক ও সাধারণ মানুষকে লাভবান করবে।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী দুপুরে পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ১,৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ হতে যাওয়া এই প্রকল্পের আওতায় ৬৭.৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১.৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩.৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার খনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই এলাকার মানুষ এতে বেশি উপকৃত হবে।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ফেনীর সরকারি ভবনের ছাদে স্থাপিত সোলার প্যানেল থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করেন। পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারি ভবনে মোট ৯৬২ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট সোলার সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জনসভায় তিনি উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কিছু অসাধু মহল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে, যাতে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হয়। এই ষড়যন্ত্রের দায় সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন যে, ‘দল যার যার, দেশটা সবার’। তাই গণতন্ত্র রক্ষায় এবং অপপ্রচার রোধে জনগণকে সব সময় সজাগ থাকতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ফেনী-১ আসনের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের মা বেগম খালেদা জিয়ার গভীর পারিবারিক ও রাজনৈতিক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তার নানা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে অবস্থিত। ১৯৯১ সাল থেকে এই আসনে খালেদা জিয়া পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এদিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু এবং ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন।