ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্রাম্পের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক ও জুবাইদা রহমান মনপুরায় ডেঙ্গু ও পানিবাহিত রোগ রুখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঢাকার মাদক ব্যবসায় শিশুদের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন উদ্বেগ শেখ হাসিনাকে ফেরানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই: দীনেশ ত্রিবেদী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ৪ শীর্ষ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছালো ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী খাবার পিঠালি: স্বাদে ও সংস্কৃতিতে অনন্য আমরা এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী মদিনা ফ্লাইটের অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী হয়রানি: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি হুথিদের মোকাবিলায় ইয়েমেনে চার কার্গো অস্ত্র পাঠালো পাকিস্তান

ঢাকার মাদক ব্যবসায় শিশুদের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 1
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার মাদক ব্যবসায় জড়িত ব্যক্তিদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিশু। সাম্প্রতিক এক গবেষণার তথ্য বলছে, মাদক বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৭ দশমিক ৪ শতাংশের বয়স ১৫ বছর বা তার নিচে। এই বিপুল সংখ্যক শিশুর মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার মূল কারণ হিসেবে কর্মসংস্থানের চরম অভাবকে দায়ী করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ করে শিশু ও নারীদের ক্ষেত্রে জোরপূর্বক মাদক ব্যবসায় বাধ্য করার ঘটনাও এই পরিস্থিতির পেছনের একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

‘আনভেইলিং প্যাটার্নস অ্যান্ড সোশিওডেমোগ্রাফিক ক্যারেক্টারিস্টিকস অব ড্রাগ ট্রাফিকিং ইন ঢাকা সিটি, বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই গবেষণাটি গত ১০ আগস্ট আন্তর্জাতিক জার্নাল পিএলওএস ওয়ানে প্রকাশিত হয়। এতে ঢাকা শহরের এক হাজার ১৬ জন মাদক বিক্রেতার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল শুরু হয়ে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল।

গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গড় বয়স ২৬ দশমিক ৭ বছর। তাদের মধ্যে প্রায় ২৯ শতাংশ ভাসমান বা ফুটপাতে জীবনযাপন করেন এবং প্রায় ১০ শতাংশ নিজেদের গৃহহীন হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ বিক্রেতার শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রাথমিক পর্যায় বা তার নিচে। এছাড়া নারী অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশ জানিয়েছেন যে তারা পেশাদার যৌনকর্মী হিসেবেও যুক্ত ছিলেন। অর্থাৎ অংশগ্রহণকারীদের এলোমেলোভাবে নির্বাচন করা হয়নি।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সীদের ইয়াবা এবং হেরোইন বিক্রিতে সম্পৃক্ততা সবচেয়ে বেশি। বয়স্ক পুরুষদের ক্ষেত্রে গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রির প্রবণতা দেখা গেছে। গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া ড. শাফায়াত হোসেন জানান, ২৮ শতাংশের কাছাকাছি শিশুর মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তার মতে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নজর এড়াতে মাদক সিন্ডিকেটগুলো সুকৌশলে এই বয়সী শিশুদের ব্যবহার করছে।

মাদক বিক্রির ভৌগোলিক ধরনেও ভিন্নতা পাওয়া গেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ২৫৩ জন শুধু গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যাদের উপস্থিতি পল্টন ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বেশি। অন্যদিকে ২৮৫ জন শুধু ইয়াবা বিক্রিতে যুক্ত এবং তারা মূলত কমলাপুর রেলস্টেশন ও বাড্ডা এলাকায় সক্রিয়। ফার্মগেট ও তেজগাঁও এলাকায় গাঁজা ও ইয়াবা দুটিই বিক্রির হার বেশি। এছাড়া সাভার ও পল্টন এলাকায় গাঁজা ও হেরোইন বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ২২৮ জন গাঁজা ও ইয়াবা—দুটিই বিক্রির কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে ২৫০ জন গাঁজা ও হেরোইন—দুটিই বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মাদক পাচারের প্রধান রুটগুলো সম্পর্কেও গবেষণায় বিশদ আলোচনা রয়েছে। হেরোইন মূলত পাকিস্তানের লাহোর থেকে ওয়াঘা সীমান্ত হয়ে ভারতের পাটনা হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর তা সাভার, মিরপুর, মহাখালী ও মতিঝিলের মতো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গাঁজা প্রধানত ভারত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা হয়ে ঢাকায় আসে। ইয়াবার প্রধান উৎস হিসেবে মিয়ানমারের নাম উঠে এসেছে। এছাড়া ভারতের মিজোরাম ও মেঘালয় হয়েও ইয়াবা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। গবেষণায় এই ইয়াবা রুটকে বৃহত্তর ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল’ নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরে দুটি রুট ঢাকায় এসে মিলিত হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় মাদকটি ছড়িয়ে পড়ে। গবেষণার মানচিত্রে তিনটি প্রধান আন্তঃসীমান্ত রুট আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে। অবৈধ ও গোপন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে পরিচিত ব্যক্তি ও বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী সংগ্রহ করা হয়েছে।

গবেষণাটিতে জামালপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহের মতো সীমান্ত পয়েন্টগুলোকেও মাদক প্রবেশের পথ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণায় ব্যবহৃত ‘পারপাসিভ’ ও ‘স্নোবল স্যাম্পলিং’ পদ্ধতির সীমাবদ্ধতার বিষয়ে গবেষকরা সতর্ক করেছেন। যেহেতু অংশগ্রহণকারীরা কোনো দৈবচয়ন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হননি, তাই এর ফলাফলকে সম্পূর্ণ ঢাকা শহরের মাদক বিক্রেতাদের প্রতিনিধিত্বকারী পরিসংখ্যান হিসেবে গণ্য না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ড. শাফায়াত হোসেন ছাড়াও এই গবেষণার দলে ছিলেন গ্যারেথ জে হল্যান্ডস, মো. আলামিন, মো. রোকনুজ্জামান, মাহদী হাসান এবং সামিয়া আক্তার। তারা যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহাম, ঢাকা ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইউসিএল, ইমাম মোহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, চাংঝু ইউনিভার্সিটি, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং সিরাজগঞ্জের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। গবেষণায় উঠে আসা এই তথ্যগুলো ঢাকার মাদক পরিস্থিতির একটি অন্ধকার দিক উন্মোচন করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকার মাদক ব্যবসায় শিশুদের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৩:৪০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার মাদক ব্যবসায় জড়িত ব্যক্তিদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিশু। সাম্প্রতিক এক গবেষণার তথ্য বলছে, মাদক বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৭ দশমিক ৪ শতাংশের বয়স ১৫ বছর বা তার নিচে। এই বিপুল সংখ্যক শিশুর মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার মূল কারণ হিসেবে কর্মসংস্থানের চরম অভাবকে দায়ী করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ করে শিশু ও নারীদের ক্ষেত্রে জোরপূর্বক মাদক ব্যবসায় বাধ্য করার ঘটনাও এই পরিস্থিতির পেছনের একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

‘আনভেইলিং প্যাটার্নস অ্যান্ড সোশিওডেমোগ্রাফিক ক্যারেক্টারিস্টিকস অব ড্রাগ ট্রাফিকিং ইন ঢাকা সিটি, বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই গবেষণাটি গত ১০ আগস্ট আন্তর্জাতিক জার্নাল পিএলওএস ওয়ানে প্রকাশিত হয়। এতে ঢাকা শহরের এক হাজার ১৬ জন মাদক বিক্রেতার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল শুরু হয়ে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল।

গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গড় বয়স ২৬ দশমিক ৭ বছর। তাদের মধ্যে প্রায় ২৯ শতাংশ ভাসমান বা ফুটপাতে জীবনযাপন করেন এবং প্রায় ১০ শতাংশ নিজেদের গৃহহীন হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ বিক্রেতার শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রাথমিক পর্যায় বা তার নিচে। এছাড়া নারী অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশ জানিয়েছেন যে তারা পেশাদার যৌনকর্মী হিসেবেও যুক্ত ছিলেন। অর্থাৎ অংশগ্রহণকারীদের এলোমেলোভাবে নির্বাচন করা হয়নি।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সীদের ইয়াবা এবং হেরোইন বিক্রিতে সম্পৃক্ততা সবচেয়ে বেশি। বয়স্ক পুরুষদের ক্ষেত্রে গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রির প্রবণতা দেখা গেছে। গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া ড. শাফায়াত হোসেন জানান, ২৮ শতাংশের কাছাকাছি শিশুর মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তার মতে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নজর এড়াতে মাদক সিন্ডিকেটগুলো সুকৌশলে এই বয়সী শিশুদের ব্যবহার করছে।

মাদক বিক্রির ভৌগোলিক ধরনেও ভিন্নতা পাওয়া গেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ২৫৩ জন শুধু গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যাদের উপস্থিতি পল্টন ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বেশি। অন্যদিকে ২৮৫ জন শুধু ইয়াবা বিক্রিতে যুক্ত এবং তারা মূলত কমলাপুর রেলস্টেশন ও বাড্ডা এলাকায় সক্রিয়। ফার্মগেট ও তেজগাঁও এলাকায় গাঁজা ও ইয়াবা দুটিই বিক্রির হার বেশি। এছাড়া সাভার ও পল্টন এলাকায় গাঁজা ও হেরোইন বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ২২৮ জন গাঁজা ও ইয়াবা—দুটিই বিক্রির কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে ২৫০ জন গাঁজা ও হেরোইন—দুটিই বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মাদক পাচারের প্রধান রুটগুলো সম্পর্কেও গবেষণায় বিশদ আলোচনা রয়েছে। হেরোইন মূলত পাকিস্তানের লাহোর থেকে ওয়াঘা সীমান্ত হয়ে ভারতের পাটনা হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর তা সাভার, মিরপুর, মহাখালী ও মতিঝিলের মতো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গাঁজা প্রধানত ভারত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা হয়ে ঢাকায় আসে। ইয়াবার প্রধান উৎস হিসেবে মিয়ানমারের নাম উঠে এসেছে। এছাড়া ভারতের মিজোরাম ও মেঘালয় হয়েও ইয়াবা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। গবেষণায় এই ইয়াবা রুটকে বৃহত্তর ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল’ নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরে দুটি রুট ঢাকায় এসে মিলিত হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় মাদকটি ছড়িয়ে পড়ে। গবেষণার মানচিত্রে তিনটি প্রধান আন্তঃসীমান্ত রুট আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে। অবৈধ ও গোপন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে পরিচিত ব্যক্তি ও বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী সংগ্রহ করা হয়েছে।

গবেষণাটিতে জামালপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহের মতো সীমান্ত পয়েন্টগুলোকেও মাদক প্রবেশের পথ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণায় ব্যবহৃত ‘পারপাসিভ’ ও ‘স্নোবল স্যাম্পলিং’ পদ্ধতির সীমাবদ্ধতার বিষয়ে গবেষকরা সতর্ক করেছেন। যেহেতু অংশগ্রহণকারীরা কোনো দৈবচয়ন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হননি, তাই এর ফলাফলকে সম্পূর্ণ ঢাকা শহরের মাদক বিক্রেতাদের প্রতিনিধিত্বকারী পরিসংখ্যান হিসেবে গণ্য না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ড. শাফায়াত হোসেন ছাড়াও এই গবেষণার দলে ছিলেন গ্যারেথ জে হল্যান্ডস, মো. আলামিন, মো. রোকনুজ্জামান, মাহদী হাসান এবং সামিয়া আক্তার। তারা যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহাম, ঢাকা ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইউসিএল, ইমাম মোহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, চাংঝু ইউনিভার্সিটি, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং সিরাজগঞ্জের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। গবেষণায় উঠে আসা এই তথ্যগুলো ঢাকার মাদক পরিস্থিতির একটি অন্ধকার দিক উন্মোচন করেছে।