চৌদ্দগ্রামে টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে বাইসাইকেল ও
- আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
- / 0
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নে ছোটদের মসজিদে আসার অভ্যাস গড়ে তুলতে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়। নারায়ণপুর ও দশবাহা দক্ষিণপাড়ার প্রবাসী বাসিন্দাদের আর্থিক সহায়তায় স্থানীয় নারায়ণপুর জামে মসজিদ কমিটি টানা ৪০ দিন জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে মোট ২২ জন শিশু প্রতিদিন নিয়মিতভাবে মসজিদে উপস্থিত হয়ে নামাজ আদায় করে সাফল্য অর্জন করে। জানা গেছে, গুণবতী ইউনিয়নের নারায়ণপুর ও দশবাহা দক্ষিণপাড়ার প্রবাসীদের অর্থায়নে এবং নারায়ণপুর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে শিশুদের জন্য ৪০ দিনব্যাপী জামাতে নামাজ আদায়ের এই প্রতিযোগিতার ঘোষণা করা হয়। এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ফলে এলাকার মুরব্বিদের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের মধ্যেও জামাতে নামাজ আদায়ের প্রতি ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়।
ধারাবাহিক এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর বুধবার বিকেলে নারায়ণপুর জামে মসজিদ চত্বরে এক সমাপনী ও সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বিজয়ী ও অংশ নেওয়া সব শিশুর হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেন। সেরা তিন প্রতিযোগীর জন্য প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে যথাক্রমে একটি বাইসাইকেল, একটি টেবিল ফ্যান এবং একটি ডিনার সেট প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্য সকল শিশুর পড়াশোনায় উৎসাহ বাড়াতে উপহার হিসেবে দেওয়া হয় বিশেষ স্কুল ব্যাগ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ
স্থানীয় আলেম মাওলানা আবুল মজিদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই পুরস্কার বিতরণী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গুণবতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ইউসুফ মেম্বার। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি।
- ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুল বাকিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে গুণবতী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন লিটন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
- পরশুরাম মির্জানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আইয়ুবসহ এলাকার সম্মানিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এতে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, প্রবাসীদের সহযোগিতায় নেওয়া এই কর্মসূচির কারণে এলাকার ছোটদের মধ্যে মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে অভূতপূর্ব আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। জ্যেষ্ঠ নাগরিকরাও তরুণ প্রজন্মের এমন ধর্মীয় অনুশাসন চর্চাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

























