ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দুর্গাপূজা রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা: রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটুট প্রতিশ্রুতি: প্রধানমন্ত্রী রিজেন্ট এয়ারওয়েজের মূল প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের নির্দেশ হাইকোর্টের ২৪ অক্টোবর নিউইয়র্কে এএবিইএ-এর দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ইসরাইলের নির্বাচনে আরব ভোট ও নেতানিয়াহুর রাজনীতির হিসাব জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই আগামীর মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী দখলমুক্ত হয়ে খেলার মাঠ এখন শিশুদের জন্য উন্মুক্ত সাতক্ষীরায় আলোচিত যুবক মৃত্যুর ঘটনায় মূল অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ভিয়েতনামের কোয়াং ত্রি বিমানবন্দরে সফল কারিগরি ফ্লাইট পরিচালনা প্রধানমন্ত্রী: জাতীয় স্বার্থে সরকার সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব সুদৃঢ়

অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দুর্গাপূজা রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা: রাষ্ট্রপতি

  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ রোববার রমনা কালী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই এই উৎসবের মূল দর্শন। তিনি বলেন, পৃথিবীতে যখনই অশুভ শক্তির আবির্ভাব ঘটেছে, তখনই দেবী দুর্গার আগমন হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময়ে অসুরের আবির্ভাব হলেও দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের পরাজিত করেছে।

রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এই মন্দির ধ্বংস করার চেষ্টা চালানো হয় এবং ১৯৭৩ সালে এটিকে পুরোপুরি ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। সে সময় থেকে একে প্রাচীন ঐতিহ্য ফিরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই রমনা কালী মন্দির পুনঃস্থাপিত হয় এবং তখন থেকেই এটাকে আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল।

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ভাষ্য, বাইরের বিশ্বে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে নানা সময় অপপ্রচার চালানো হয়। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, বাংলাদেশে যেভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে, তা বিশ্বের অন্য কোথাও আছে বলে তার জানা নেই। সম্প্রীতি রক্ষায় দেশবাসীকে সর্বদা একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে রাষ্ট্রপতি আশ্বস্ত করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি পূজা অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস এবং সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দুর্গাপূজা রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ রোববার রমনা কালী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই এই উৎসবের মূল দর্শন। তিনি বলেন, পৃথিবীতে যখনই অশুভ শক্তির আবির্ভাব ঘটেছে, তখনই দেবী দুর্গার আগমন হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময়ে অসুরের আবির্ভাব হলেও দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের পরাজিত করেছে।

রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এই মন্দির ধ্বংস করার চেষ্টা চালানো হয় এবং ১৯৭৩ সালে এটিকে পুরোপুরি ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। সে সময় থেকে একে প্রাচীন ঐতিহ্য ফিরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই রমনা কালী মন্দির পুনঃস্থাপিত হয় এবং তখন থেকেই এটাকে আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল।

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ভাষ্য, বাইরের বিশ্বে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে নানা সময় অপপ্রচার চালানো হয়। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, বাংলাদেশে যেভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে, তা বিশ্বের অন্য কোথাও আছে বলে তার জানা নেই। সম্প্রীতি রক্ষায় দেশবাসীকে সর্বদা একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে রাষ্ট্রপতি আশ্বস্ত করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি পূজা অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস এবং সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।