অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ও জাপানের নতুন অংশীদারত্ব
- আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- / 0
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথে আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’-এ আয়োজিত দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপান সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে উভয় দেশের জন্য একটি সমৃদ্ধ ও সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সক্ষম। এমন একটি অংশীদারত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন, যা বর্তমান প্রজন্মের পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্যও একটি টেকসই ভিত্তি নিশ্চিত করবে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আতিথেয়তায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা এই বন্ধুত্বের প্রধান ভিত্তি।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই জাপান রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেই থেকে বিগত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশটি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো বিনির্মাণে নিরবচ্ছিন্নভাবে ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্তমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), রেলপথ, অবকাঠামো উন্নয়ন, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে দুই দেশ অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। এ সম্পর্ককে আরও গভীরতর করতে উভয় পক্ষ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বিনিময় করেছে।
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অগ্রগতির এই পর্যায়ে জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের উন্নয়নের পরবর্তী ধাপগুলোতে জাপানি অংশীদাররা আরও গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন। উৎপাদনশীল বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক লাভজনক ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।























