ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ীকে মৃত্যুর ঘটনায়, চাঞ্চল্য বাংলাদেশের পাঁচ খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মশার কয়েল থেকে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব বৃদ্ধ গুটু শেখ রংপুরে বাসের ধাক্কায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক, নিহত ৪ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের প্রথম সেশনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯৬ রান শতরানের দোরগোড়ায় বাংলাদেশ, লাঞ্চ বিরতিতে শান্ত-সাদমান মানিক পশারীকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা দাবি দুই মুক্তিযোদ্ধার ৮ জেলায় ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট: রোগী ও স্বজনদের চরম ভোগান্তি

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ কমছে

  • আপডেট সময় : ১১:০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 28
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অস্ট্রেলিয়া সরকার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের স্বামী, স্ত্রী, সঙ্গী এবং সন্তান নিয়ে দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ সীমিত করতে যাচ্ছে। পাশাপাশি অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের নিয়মেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে অভিবাসন নীতির এই নতুন রূপরেখা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।

চলমান এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে দেশটিতে নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা। সরকারি তথ্য অনুসারে, বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। এর আগে ২০২৩ সালে নিট অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছালে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তী বছরগুলোতে এই সংখ্যা কিছুটা কমলেও, ২০২৪ সালে তা ছিল ৪ লাখ ২৯ হাজার এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া বছরে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখ ৬ হাজার। এই বিপুল সংখ্যক অভিবাসীদের অর্ধেকের বেশি ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা কিছু নির্দিষ্ট শর্তে তাদের জীবনসঙ্গী এবং ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানদের সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ পান। একই সঙ্গে তারা সেখানে কাজের অনুমতিও পেয়ে থাকেন, যদিও পড়ার ধরনের ওপর ভিত্তি করে কাজের সময়সীমা ভিন্ন হয়। নতুন নীতি কার্যকর হলে পরিবার নিয়ে যাওয়ার এই ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কোভিড-১৯ মহামারীর বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের হার দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যদিও গত দুই বছরে এই প্রবাহ কমার দিকে, তবুও বিপুল অভিবাসীর কারণে আবাসন সংকট এবং অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপের অভিযোগ উঠেছে। দেশটির সমালোচকদের মতে, বর্তমান অভিবাসন পরিস্থিতি সামাজিক সংহতির ওপর প্রভাব ফেলছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও অভিবাসন কমানোর দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। কট্টর ডানপন্থি দল ‘ওয়ান নেশন পার্টি’ আগামী তিন বছরে অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তারা বলছে, এই পদক্ষেপ অস্ট্রেলীয়দের জন্য স্বস্তির পরিবেশ নিশ্চিত করবে। দলটি পর্যায়ক্রমে নিট বিদেশি অভিবাসন বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছে এবং প্রতি বছর এই কর্মসূচি পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর আগে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো সরকারের নতুন পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধরন অনুযায়ী তাদের কাজের অনুমোদিত সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দলটি বলেছে, এর মাধ্যমে অস্ট্রেলীয়দের জন্য ‘স্বস্তির জায়গা’ তৈরি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ কমছে

আপডেট সময় : ১১:০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়া সরকার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের স্বামী, স্ত্রী, সঙ্গী এবং সন্তান নিয়ে দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ সীমিত করতে যাচ্ছে। পাশাপাশি অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের নিয়মেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে অভিবাসন নীতির এই নতুন রূপরেখা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।

চলমান এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে দেশটিতে নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা। সরকারি তথ্য অনুসারে, বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। এর আগে ২০২৩ সালে নিট অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছালে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তী বছরগুলোতে এই সংখ্যা কিছুটা কমলেও, ২০২৪ সালে তা ছিল ৪ লাখ ২৯ হাজার এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া বছরে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখ ৬ হাজার। এই বিপুল সংখ্যক অভিবাসীদের অর্ধেকের বেশি ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা কিছু নির্দিষ্ট শর্তে তাদের জীবনসঙ্গী এবং ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানদের সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ পান। একই সঙ্গে তারা সেখানে কাজের অনুমতিও পেয়ে থাকেন, যদিও পড়ার ধরনের ওপর ভিত্তি করে কাজের সময়সীমা ভিন্ন হয়। নতুন নীতি কার্যকর হলে পরিবার নিয়ে যাওয়ার এই ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কোভিড-১৯ মহামারীর বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের হার দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যদিও গত দুই বছরে এই প্রবাহ কমার দিকে, তবুও বিপুল অভিবাসীর কারণে আবাসন সংকট এবং অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপের অভিযোগ উঠেছে। দেশটির সমালোচকদের মতে, বর্তমান অভিবাসন পরিস্থিতি সামাজিক সংহতির ওপর প্রভাব ফেলছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও অভিবাসন কমানোর দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। কট্টর ডানপন্থি দল ‘ওয়ান নেশন পার্টি’ আগামী তিন বছরে অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তারা বলছে, এই পদক্ষেপ অস্ট্রেলীয়দের জন্য স্বস্তির পরিবেশ নিশ্চিত করবে। দলটি পর্যায়ক্রমে নিট বিদেশি অভিবাসন বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছে এবং প্রতি বছর এই কর্মসূচি পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর আগে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো সরকারের নতুন পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধরন অনুযায়ী তাদের কাজের অনুমোদিত সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দলটি বলেছে, এর মাধ্যমে অস্ট্রেলীয়দের জন্য ‘স্বস্তির জায়গা’ তৈরি হবে।