আইসিটি মন্ত্রী: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা
- আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
- / 0
ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষা করা সরকারের মূল লক্ষ্য ও অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর কড়াইলে বিটিসিএল আবাসিক এলাকায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, যারা এলাকার ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন, জনগণ সর্বদা তাদেরই সমর্থন জোগাবেন। জনসেবা ও উন্নয়নের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন একজন জনপ্রতিনিধিকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করে।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী সব সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে রয়েছেন এবং তাদের কল্যাণ ও উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর। এ সময় তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পাশাপাশি, দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারের জন্য তিনি উপস্থিত সবার কাছে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন।
পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা এ সময় এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, সুপেয় পানির নিশ্চয়তা ও আবাসন সমস্যার মতো বিষয়গুলোকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। স্থানীয়দের সাথে সমন্বয় করে এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এলাকার উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করা কঠিন।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত শাড়ি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার হিসেবে তুলে দেন মন্ত্রী। বিটিসিএল সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ব্রিটিশ চন্দ্র কর্মকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসলাম হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চৌধুরী। এ সময় বিটিসিএল ও এর বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
























