ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে একমত সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান-ইরান মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যের ডাক দিলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ফেনীতে প্রবাসীর কলোনীর ভাড়া তুলে নেওয়ার ঘটনায় তদন্তে পুলিশ ইরানে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের জাপানে সাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদরদফতর মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা: দুই দেশকেই সতর্ক করলেন গুতেরেস লামায় বজ্রপাতে শিশুসহ দুইজনের মৃত্যু, আহত দুই আইজিপির ক্রসফায়ার বিষয়ক বক্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের তীব্র উদ্বেগ জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগের সিদ্ধান্ত

ইরানে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

  • আপডেট সময় : ১০:৫১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবুজ সংকেত পেলেই মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনী মাত্র ৯৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানের ওপর ভয়াবহ ও নজিরবিহীন হামলা চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। পেন্টাগন ও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড যৌথভাবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, পারমাণবিক স্থাপনা এবং জ্বালানি খাতের ওপর লক্ষ্যবস্তুর একটি বিশাল তালিকা প্রস্তুত রেখেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরবর্তী সময়েই ওয়াশিংটন এই বড় সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দ্রুত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে চলেছেন। তবে নির্বাচনী সমীকরণ মাথায় রেখে আপাতত ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইসরাইলের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আমেরিকান সহায়তার আবশ্যকতা থাকায় নেতানিয়াহু আপাতত যৌথ অভিযানের পরিকল্পনা মেনে নিয়েছেন এবং নির্বাচনের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি হয়েছেন।

এদিকে, ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান ও তাদের মিত্র হুথি বিদ্রোহীরা চুপ থাকবে না বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে। পাল্টা আঘাতের আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু মার্কিন দূতাবাস থেকে ইতিমধ্যে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। হামলা হলে এ অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও কর্মীদের ওপর জোরালো আক্রমণের ঝুঁকি দেখছে ওয়াশিংটন।

বিশ্বের জ্বালানি তেলের অন্যতম প্রধান জলপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ সম্প্রতি পরিদর্শন করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। যদি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তেলের বাজার স্থিতিশীল না হয় এবং পরিস্থিতির কোনো সমাধান না আসে, তবে শেষ পর্যন্ত সামরিক পথই বেছে নেবে যুক্তরাষ্ট্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় : ১০:৫১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবুজ সংকেত পেলেই মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনী মাত্র ৯৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানের ওপর ভয়াবহ ও নজিরবিহীন হামলা চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। পেন্টাগন ও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড যৌথভাবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, পারমাণবিক স্থাপনা এবং জ্বালানি খাতের ওপর লক্ষ্যবস্তুর একটি বিশাল তালিকা প্রস্তুত রেখেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরবর্তী সময়েই ওয়াশিংটন এই বড় সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দ্রুত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে চলেছেন। তবে নির্বাচনী সমীকরণ মাথায় রেখে আপাতত ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইসরাইলের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আমেরিকান সহায়তার আবশ্যকতা থাকায় নেতানিয়াহু আপাতত যৌথ অভিযানের পরিকল্পনা মেনে নিয়েছেন এবং নির্বাচনের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি হয়েছেন।

এদিকে, ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান ও তাদের মিত্র হুথি বিদ্রোহীরা চুপ থাকবে না বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে। পাল্টা আঘাতের আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু মার্কিন দূতাবাস থেকে ইতিমধ্যে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। হামলা হলে এ অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও কর্মীদের ওপর জোরালো আক্রমণের ঝুঁকি দেখছে ওয়াশিংটন।

বিশ্বের জ্বালানি তেলের অন্যতম প্রধান জলপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ সম্প্রতি পরিদর্শন করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। যদি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তেলের বাজার স্থিতিশীল না হয় এবং পরিস্থিতির কোনো সমাধান না আসে, তবে শেষ পর্যন্ত সামরিক পথই বেছে নেবে যুক্তরাষ্ট্র।