ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানিতে ব্রিটিশ কড়াকড়ি
- আপডেট সময় : ১০:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 13
গাজায় সংঘাতের মধ্যে ব্রিটিশ অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কা থেকে ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে অন্তত ৮০টি সামরিক রপ্তানি লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জুইস ক্রনিকলকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি।
প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি জানান, গত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে যখন প্রথম দফায় এই বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়, তখন প্রায় ৩০টি লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছিল। এরপর থেকে নতুন করে আবেদন করা আরও ৫০টিরও বেশি রপ্তানি আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন নীতি অনুযায়ী, অস্ত্র রপ্তানির ক্ষেত্রে একটি কঠোর ‘ডাবল লক’ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, যা রপ্তানি লাইসেন্স অনুমোদনের প্রক্রিয়াকে আরও পর্যালোচনানির্ভর করেছে। এই নীতি অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিটি রপ্তানি লাইসেন্স বিদ্যমান আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পাশাপাশি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বেআইনি দখলাদারিত্বসংক্রান্ত সরকারের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করেও মূল্যায়ন করতে হবে।
তবে এই কড়াকড়ির মধ্যেও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। স্টিফেন ডাউটি জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যে উৎপাদিত যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশগুলোকে মূলত এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, যদিও ইসরায়েলে সরাসরি যন্ত্রাংশ রপ্তানির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবুও বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য এই কর্মসূচিতে খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। ডাউটির মতে, ব্রিটেন যদি এই বৈশ্বিক কর্মসূচি থেকে পুরোপুরি নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়, তবে তা সামগ্রিক যুদ্ধবিমান প্রকল্পের ওপর অত্যন্ত গুরুতর ও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচির বিষয়ে ডাউটি বলেন, যুক্তরাজ্যে তৈরি বিমানের যন্ত্রাংশগুলো প্রধানত এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, জনসমক্ষে আলোচিত কিছু লাইসেন্সের মধ্যে ‘সিস্টিক ফাইব্রোসিস’ রোগের ওষুধ, সাংবাদিক ও এনজিওকর্মীদের সুরক্ষামূলক সরঞ্জামের মতো অ-সামরিক সামগ্রীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।






















