ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরায় পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ২, ভাঙচুর গাড়ি

  • আপডেট সময় : ০২:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় ১৩ নম্বর রোড দিয়ে বের হয়ে শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার সূত্রপাত হয়।

ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. রেজাউল করিম জানান, প্রায় ১০০০ থেকে ১৫০০ শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করা হলেও তারা কর্ণপাত করেননি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় শ্রমিকদের হামলায় পুলিশের দুই কর্মকর্তা আহত হন, যার মধ্যে একজনের হাত ভেঙে গেছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশের একটি পিকআপ ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে পুরো এলাকার পরিস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ সময় পুলিশের বাধার মুখে পিছু হঠতে বাধ্য হন তারা। ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘১০০০-১৫০০ পোশাকশ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কে অবস্থান নিলে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে যাই। তিনি আরও বলেন, ‘পোশাক শ্রমিকদের হামলায় আমাদের দু’জন অফিসার আহত হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

উত্তরায় পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ২, ভাঙচুর গাড়ি

আপডেট সময় : ০২:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় ১৩ নম্বর রোড দিয়ে বের হয়ে শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার সূত্রপাত হয়।

ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. রেজাউল করিম জানান, প্রায় ১০০০ থেকে ১৫০০ শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করা হলেও তারা কর্ণপাত করেননি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় শ্রমিকদের হামলায় পুলিশের দুই কর্মকর্তা আহত হন, যার মধ্যে একজনের হাত ভেঙে গেছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশের একটি পিকআপ ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে পুরো এলাকার পরিস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ সময় পুলিশের বাধার মুখে পিছু হঠতে বাধ্য হন তারা। ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘১০০০-১৫০০ পোশাকশ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কে অবস্থান নিলে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে যাই। তিনি আরও বলেন, ‘পোশাক শ্রমিকদের হামলায় আমাদের দু’জন অফিসার আহত হয়েছেন।