ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা

গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত নেভাল ক্যাডেটের মা

  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্রিন কার্ড পাওয়ার আশায় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের শিকার হলেন মারিয়া রোচা-মার্টিনেজ। বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পথ সুগম করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে গিয়েই তাকে আটক ও দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়। বুধবার রাতে এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

মারিয়ার ছেলে ডেভিড গার্সিয়া বর্তমানে ইউএস নেভাল একাডেমির প্রথম বর্ষের মিডশিপম্যান হিসেবে কর্মরত। চলতি গ্রীষ্মেই তিনি সামরিক বাহিনীতে তার দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। একদিকে দেশের সেবায় নিয়োজিত ছেলের নতুন জীবন, অন্যদিকে মায়ের এমন আকস্মিক বহিষ্কার—এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অভিবাসন নীতির মানবিক সংকটকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জোয়াকিন কাস্ত্রো জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি জানার পর ডেভিড ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কাস্ত্রোর দাবি, মারিয়া নিয়ম মেনেই গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি নিজের অভিবাসন পরিস্থিতি বৈধ করার জন্য সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছিলেন। কিন্তু সাক্ষাৎকারে যাওয়ার পরই তাকে আইসিই আটক করে বহিষ্কার করে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তবে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) এই বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে। তাদের দাবি, মারিয়াকে এর আগেও একবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি বেআইনিভাবে পুনরায় দেশটিতে প্রবেশ করেন, যা ফেডারেল আইনে একটি গুরুতর অপরাধ। সরকারের এই অবস্থানের বিপরীতে কংগ্রেসম্যান কাস্ত্রো বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নামে প্রশাসন যে অভিযান চালাচ্ছে, তার নেতিবাচক প্রভাব নিরপরাধ পরিবারগুলোর ওপর পড়ছে।

বর্তমানে কংগ্রেসম্যান কাস্ত্রো মারিয়ার মামলার বিষয়ে আইসিইর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন। তিনি মারিয়াকে তার স্বামী ও ছেলে ডেভিডের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনাটি সামরিক পরিবারের সদস্যদের বিচ্ছিন্নতার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত নেভাল ক্যাডেটের মা

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রিন কার্ড পাওয়ার আশায় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের শিকার হলেন মারিয়া রোচা-মার্টিনেজ। বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পথ সুগম করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে গিয়েই তাকে আটক ও দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়। বুধবার রাতে এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

মারিয়ার ছেলে ডেভিড গার্সিয়া বর্তমানে ইউএস নেভাল একাডেমির প্রথম বর্ষের মিডশিপম্যান হিসেবে কর্মরত। চলতি গ্রীষ্মেই তিনি সামরিক বাহিনীতে তার দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। একদিকে দেশের সেবায় নিয়োজিত ছেলের নতুন জীবন, অন্যদিকে মায়ের এমন আকস্মিক বহিষ্কার—এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অভিবাসন নীতির মানবিক সংকটকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জোয়াকিন কাস্ত্রো জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি জানার পর ডেভিড ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কাস্ত্রোর দাবি, মারিয়া নিয়ম মেনেই গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি নিজের অভিবাসন পরিস্থিতি বৈধ করার জন্য সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছিলেন। কিন্তু সাক্ষাৎকারে যাওয়ার পরই তাকে আইসিই আটক করে বহিষ্কার করে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তবে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) এই বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে। তাদের দাবি, মারিয়াকে এর আগেও একবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি বেআইনিভাবে পুনরায় দেশটিতে প্রবেশ করেন, যা ফেডারেল আইনে একটি গুরুতর অপরাধ। সরকারের এই অবস্থানের বিপরীতে কংগ্রেসম্যান কাস্ত্রো বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নামে প্রশাসন যে অভিযান চালাচ্ছে, তার নেতিবাচক প্রভাব নিরপরাধ পরিবারগুলোর ওপর পড়ছে।

বর্তমানে কংগ্রেসম্যান কাস্ত্রো মারিয়ার মামলার বিষয়ে আইসিইর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন। তিনি মারিয়াকে তার স্বামী ও ছেলে ডেভিডের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনাটি সামরিক পরিবারের সদস্যদের বিচ্ছিন্নতার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।