ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে শাহ আমানত বিমানবন্দর: রানওয়েতে দফায় দফায় সম্পদ নুরের বক্তৃতায় মগবাজার-বাংলামোটর তোলপাড়: মন্তব্য রাশেদ খাঁনের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে জরিমানা গুনলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুতিদের হামলা: নিহত ৫ গাজীপুরে ইয়াবাসহ আটক অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ছিনিয়ে নিতে রেলওয়ে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ ও বিজ্ঞানীদের সুযোগ বাড়ানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে আট সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে চায়না এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন চাইলেন জ্বালানিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ নিরাপত্তায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস লালমোহনে নজরুল বর্ষ উদযাপন

জেএমআই গ্রুপের মাস্ক কেলেঙ্কারি: তথ্য সরিয়ে নিতে বিটিআরসিকে নির্দেশ

  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩
  • / 254
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকা কেএন৯৫ কিংবা এন৯৫ মাস্ক তৈরিতে দুর্নীতি সংক্রান্ত সকল তথ্য আদালতের আদেশ প্রাপ্তির তিনদিনের মধ্যে সরিয়ে দিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশনা দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ ২৮) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশনা দেন। গত ১৩ মার্চ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন জেএমআই গ্রুপের আইনজীবী ড. মো. শাহজাহান।

করোনার সময়ে ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কেএন৯৫ মাস্ক সরবরাহে কেলেঙ্কারির অভিযোগে জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রাজ্জাকসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেএমআই গ্রুপ এবং মো. আবদুর রাজ্জাককে নির্দোষ উল্লেখ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে গত ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান, মো. আবদুর রাজ্জাককে অব্যাহতি প্রদান করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন।

জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘মামলার পরবর্তীতে দুদক দেখেছেন যে, আমাদের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। এখন তারা খুশি হয়ে এই মামলা থেকে আমাদের অব্যহতি দিয়েছেন। কোর্টও সেটাকে মেনে নিয়েছেন। এখন জেএমআই গ্রুপ কমপ্লিটলি দায় থেকে মুক্ত হয়েছি। ’

জেএমআই গ্রুপের আইনজীবি ড. মো. শাহজাহান বলেন, ‘এই গ্রুপের কোন অন্যায় ছিল না বা কোন অপরাধও ছিল না। সেই সময় কিছু মানুষ ভুল বুঝে বা অতি উৎসাহী হয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় নানা বাজে তথ্য প্রচার করেছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

জেএমআই গ্রুপের মাস্ক কেলেঙ্কারি: তথ্য সরিয়ে নিতে বিটিআরসিকে নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকা কেএন৯৫ কিংবা এন৯৫ মাস্ক তৈরিতে দুর্নীতি সংক্রান্ত সকল তথ্য আদালতের আদেশ প্রাপ্তির তিনদিনের মধ্যে সরিয়ে দিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশনা দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ ২৮) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশনা দেন। গত ১৩ মার্চ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন জেএমআই গ্রুপের আইনজীবী ড. মো. শাহজাহান।

করোনার সময়ে ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কেএন৯৫ মাস্ক সরবরাহে কেলেঙ্কারির অভিযোগে জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রাজ্জাকসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেএমআই গ্রুপ এবং মো. আবদুর রাজ্জাককে নির্দোষ উল্লেখ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে গত ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান, মো. আবদুর রাজ্জাককে অব্যাহতি প্রদান করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন।

জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘মামলার পরবর্তীতে দুদক দেখেছেন যে, আমাদের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। এখন তারা খুশি হয়ে এই মামলা থেকে আমাদের অব্যহতি দিয়েছেন। কোর্টও সেটাকে মেনে নিয়েছেন। এখন জেএমআই গ্রুপ কমপ্লিটলি দায় থেকে মুক্ত হয়েছি। ’

জেএমআই গ্রুপের আইনজীবি ড. মো. শাহজাহান বলেন, ‘এই গ্রুপের কোন অন্যায় ছিল না বা কোন অপরাধও ছিল না। সেই সময় কিছু মানুষ ভুল বুঝে বা অতি উৎসাহী হয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় নানা বাজে তথ্য প্রচার করেছে।’