ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি অস্থিরতা ঘটাতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০২:২২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- / 1
ডিসেম্বর মাস এলেই অস্থিরতা তৈরির যে আশঙ্কা তৈরি হয়, তা নাকচ করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নতুন সদর দপ্তরের ‘শুভারম্ভ ফলক’ উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ডিসেম্বরকে বিজয়ের মাস উল্লেখ করে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, কোনো অপশক্তিই এই মাসে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সাহস পাবে না। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ডিসেম্বরকেন্দ্রিক অস্থিরতার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা ডিসেম্বর ডিসেম্বর করছেন কেন। ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি এখানে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি না।’। বড় পরিকল্পনার মাধ্যমে আনসারের সদর দপ্তর এখানে স্থানান্তর করা হবে।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাহিনীর অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাহিনীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা অনুযায়ী গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে তেজগাঁওয়ে ৩ দশমিক ৪৫ একর বা প্রায় ১১ বিঘা জমি বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বর্তমান সদর দপ্তর খিলগাঁওয়ে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় এই স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই দপ্তরে আনসার সদস্যদের জন্য ডরমেটরি, ব্যারাকসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা হবে বলে তিনি জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ আনসার বাহিনীর বিশাল জনশক্তির তথ্য দিয়ে বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য এবং ৬০ হাজার অঙ্গীভূত আনসার সদস্য রয়েছেন। এছাড়াও প্রায় ৩৫ হাজার দলনেতার নেতৃত্বে ৬০ লাখ প্রশিক্ষিত জনবল দেশজুড়ে কাজ করছে। নিয়মিত ব্যাটালিয়ন সদস্যরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি স্থাপনায় দায়িত্ব পালন করলেও আবাসনসহ নানা সংকট মোকাবিলা করছেন, যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ দমনে সরকার বদ্ধপরিকর। খুব দ্রুত পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়ে তিনি বলেন, এমন অভিযোগ নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে শুধু প্রত্যাহার নয়, ফৌজদারি মামলাও করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে আনসার সদস্যদের দাবি-দাওয়া পূরণের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। এসব ঘটনায় তদন্তের ভিত্তিতে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



















