ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নতুন তথ্য: ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: শামা ওবায়েদ

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 24
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে চায়। এর অংশ হিসেবে ঢাকায় একটি স্থায়ী অফিস খোলার ব্যাপারে মার্কিন এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, এ নিয়ে মেটার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণসহ সফরকালের প্রথম দিনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

মেটার সঙ্গে বৈঠক ও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা

  • প্রতিমন্ত্রী জানান, মেটার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূল সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও সময়ের স্বল্পতা ও ব্যস্ততার কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি সেখানে অংশ নিতে পারেননি।
  • মেটার সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা আইন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির আধুনিক ব্যবহার এবং ডিজিটাল হয়রানি রোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে।
  • দেশের ই-কমার্স ও অনলাইন ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকাশে কীভাবে মেটা সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
  • সরকারের প্রথম বাজেটে প্রযুক্তি ও ই-কমার্স খাতে যে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তা মেটার পক্ষ থেকে প্রশংসিত হয়েছে।
  • মেটা বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করতে এবং ডিজিটাল হয়রানি কমাতে সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করতে আগ্রহ দেখিয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মেটার টিমের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ঢাকায় ঠিক কবে নাগাদ অফিস খোলা হবে, তা পর্যালোচনা করে মেটা কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মেটার এ ধরনের আগ্রহ দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন তথ্য: ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: শামা ওবায়েদ

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে চায়। এর অংশ হিসেবে ঢাকায় একটি স্থায়ী অফিস খোলার ব্যাপারে মার্কিন এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, এ নিয়ে মেটার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণসহ সফরকালের প্রথম দিনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

মেটার সঙ্গে বৈঠক ও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা

  • প্রতিমন্ত্রী জানান, মেটার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূল সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও সময়ের স্বল্পতা ও ব্যস্ততার কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি সেখানে অংশ নিতে পারেননি।
  • মেটার সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা আইন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির আধুনিক ব্যবহার এবং ডিজিটাল হয়রানি রোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে।
  • দেশের ই-কমার্স ও অনলাইন ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকাশে কীভাবে মেটা সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
  • সরকারের প্রথম বাজেটে প্রযুক্তি ও ই-কমার্স খাতে যে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তা মেটার পক্ষ থেকে প্রশংসিত হয়েছে।
  • মেটা বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করতে এবং ডিজিটাল হয়রানি কমাতে সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করতে আগ্রহ দেখিয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মেটার টিমের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ঢাকায় ঠিক কবে নাগাদ অফিস খোলা হবে, তা পর্যালোচনা করে মেটা কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মেটার এ ধরনের আগ্রহ দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে মনে করা হচ্ছে।