নাশকতা ও আতঙ্ক ছড়াতে বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি
- আপডেট সময় : ০৩:০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / 0
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো কেবল বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধ নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে জনমনে আতঙ্ক তৈরি এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের অবস্থান তুলে ধরেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
ডিসি আকতার হোসেন জানান, প্রতিটি নাশকতার ঘটনার ওপর পুলিশ অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে এসব ঘটনার সাথে জড়িত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও তাদের অঙ্গ-সংগঠনের সক্রিয় সদস্যরা রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
শহরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিএমপির অপারেশনাল কার্যক্রম ও পুলিশ মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে। জননিরাপত্তা রক্ষা ও আতঙ্ক দূর করতে নিয়মিত মোবাইল পেট্রোল ও পিকেট ডিউটির পাশাপাশি কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হচ্ছে। এছাড়া বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থ সংগ্রহের উৎস সম্পর্কে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, অতীতেও ককটেল তৈরির উপাদান ও বিস্ফোরকদ্রব্যসহ অনেককে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করেছে।
নাশকতার উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্পসহ বিভিন্ন স্থান থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা বর্তমানে নিবিড়ভাবে মনিটর করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের শনাক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দাহ্য পদার্থ সংগ্রহকারীদের চিহ্নিত করতে ও নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।





















