বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- আপডেট সময় : ০৭:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / 0
সরকারের তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান ও অর্থায়ন কর্মসূচি ‘উদ্যোগ’-এর নাম ব্যবহার করে একটি অসাধু চক্র প্রতারণার জাল বিছিয়েছে। এই চক্রটি তরুণদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ ও অনুদান পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে। তারা বিকাশসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক জরুরি সতর্কবার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষ্যমতে, ‘উদ্যোগ’ নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের কোনো অফিসিয়াল পেজ বা অ্যাকাউন্ট নেই।
অসাধু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রভাবিত না হতে এবং ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে কাউকে কোনো ধরনের টাকা পরিশোধ না করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা চক্র এ ধরনের ভুয়া প্রচারণায় লিপ্ত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনসহ প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে সরকার ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। এরই অংশ হিসেবে ‘উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’ বা ‘উদ্যোগ’ (UDYOG) কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় একজন তরুণ উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ এবং সমপরিমাণ অর্থ এককালীন অনুদান হিসেবে দেওয়ার বিধান রয়েছে। ঋণ ও অনুদানের এই অর্থ একসঙ্গে বিতরণ করা হবে।
তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে গত ১৩ সেপ্টেম্বর এই কর্মসূচির অর্থায়নসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করা হয়। কর্মসূচির স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আটটি জেলায় আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষে, গত ১ নভেম্বর থেকে দেশের বাকি ৫৬ জেলার তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছ থেকেও আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে সম্ভাবনাময় তরুণদের খুঁজে বের করে মূলধারার অর্থায়নে নিয়ে আসাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।























