ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ: ব্যথামুক্ত ও কর্মক্ষম জীবনের জন্য ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব

  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 45
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজ ৮ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। ব্যথামুক্ত, সুস্থ ও কর্মক্ষম জীবন যাপনে ফিজিওথেরাপির অপরিহার্য ভূমিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও আজ যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। আঘাত, অসুস্থতা বা বয়সের কারণে মানুষের শারীরিক সক্ষমতা কমে গেলে তা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে এবং রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে ফিজিওথেরাপিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতেই বিশেষ এই দিনটি পালন করা হয়।

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে যবিপ্রবিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা

বর্তমান সময়ে দীর্ঘক্ষণ ডেস্কে বসে কাজ করা এবং কায়িক শ্রম কমে যাওয়ার কারণে ঘাড়, কোমর ও হাঁটুর ব্যথাসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা ঘরে ঘরে দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছে ফিজিওথেরাপি নিয়ে সচেতনতা আগের চেয়ে বাড়লেও, অনেকেই একে কেবল কিছু সাধারণ ব্যায়াম বলে মনে করেন। মূলত ফিজিওথেরাপি হলো একটি বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি। এই পদ্ধতির মাধ্যমে ওষুধের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে, ব্যথার মূল কারণ নির্ণয় করে তা নিরাময় করা হয়। বিশেষ করে স্ট্রোকের রোগী, স্নায়ুরোগ, কিংবা যেকোনো বড় সার্জারির পর রোগীকে পুনরায় সচল করে তুলতে এই চিকিৎসার কোনো বিকল্প নেই।

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উদযাপন

দিবসটি উপলক্ষে আজ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। জনসচেতনতামূলক র‍্যালি, সেমিনার ও বিনা মূল্যে চিকিৎসা শিবিরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ফিজিওথেরাপির সঠিক গুরুত্ব সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শমরিতা হাসপাতালসহ দেশের স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো আজ রোগীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ ও স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব আয়োজনে বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টরা ব্যথামুক্ত জীবনযাপনের সঠিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শরীরে যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা বা অস্থিসন্ধির সমস্যা অবহেলা না করে দ্রুত একজন যোগ্যতাসম্পন্ন ফিজিওথেরাপিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে পঙ্গুত্ব রোধ করে একটি সুস্থ, সুন্দর ও কর্মক্ষম জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ: ব্যথামুক্ত ও কর্মক্ষম জীবনের জন্য ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব

আপডেট সময় : ০৫:০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ ৮ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। ব্যথামুক্ত, সুস্থ ও কর্মক্ষম জীবন যাপনে ফিজিওথেরাপির অপরিহার্য ভূমিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও আজ যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। আঘাত, অসুস্থতা বা বয়সের কারণে মানুষের শারীরিক সক্ষমতা কমে গেলে তা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে এবং রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে ফিজিওথেরাপিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাতেই বিশেষ এই দিনটি পালন করা হয়।

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে যবিপ্রবিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা

বর্তমান সময়ে দীর্ঘক্ষণ ডেস্কে বসে কাজ করা এবং কায়িক শ্রম কমে যাওয়ার কারণে ঘাড়, কোমর ও হাঁটুর ব্যথাসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা ঘরে ঘরে দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছে ফিজিওথেরাপি নিয়ে সচেতনতা আগের চেয়ে বাড়লেও, অনেকেই একে কেবল কিছু সাধারণ ব্যায়াম বলে মনে করেন। মূলত ফিজিওথেরাপি হলো একটি বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি। এই পদ্ধতির মাধ্যমে ওষুধের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে, ব্যথার মূল কারণ নির্ণয় করে তা নিরাময় করা হয়। বিশেষ করে স্ট্রোকের রোগী, স্নায়ুরোগ, কিংবা যেকোনো বড় সার্জারির পর রোগীকে পুনরায় সচল করে তুলতে এই চিকিৎসার কোনো বিকল্প নেই।

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উদযাপন

দিবসটি উপলক্ষে আজ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। জনসচেতনতামূলক র‍্যালি, সেমিনার ও বিনা মূল্যে চিকিৎসা শিবিরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ফিজিওথেরাপির সঠিক গুরুত্ব সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শমরিতা হাসপাতালসহ দেশের স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো আজ রোগীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ ও স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব আয়োজনে বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টরা ব্যথামুক্ত জীবনযাপনের সঠিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শরীরে যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা বা অস্থিসন্ধির সমস্যা অবহেলা না করে দ্রুত একজন যোগ্যতাসম্পন্ন ফিজিওথেরাপিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে পঙ্গুত্ব রোধ করে একটি সুস্থ, সুন্দর ও কর্মক্ষম জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব।