ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ভোলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩৫ শিক্ষার্থী পেল সংবর্ধনা

  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১৩৫ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করেছে জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করার পাশাপাশি একটি মেধাবী ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভোলার মরহুম মন্ত্রী মোশারেফ হোসেন শাহজাহানের বাসভবন প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকের এই শিক্ষার্থীরাই দেশের আগামীর ভবিষ্যৎ। কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হবে না, বরং তাদের সৎ, মানবিক ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন। বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং উচ্চতর লক্ষ্য অর্জনে তাদের অনুপ্রাণিত করে।

জাতীয় বন্ধুজন পরিষদের ভোলার প্রধান সমন্বয়ক আসিফ আলতাফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রধান সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস, যুবদল সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদ, সদস্য সচিব মুনতাসীর আলম চৌধুরী রবিন, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাসেল এবং সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ রুবেল। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই আয়োজনে অংশ নেন।

সভাপতির বক্তব্যে আসিফ আলতাফ বলেন, ভোলার মতো একটি ছোট্ট শহর থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেও তারা যেন নিজ শহরের শিকড়কে ভুলে না যায়। তাদের শৈশব ও শিক্ষাজীবনের সুন্দর স্মৃতি যেন ভোলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে, মূলত সেই ভাবনা থেকেই এই সংবর্ধনার আয়োজন। শেষে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃতী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় দর্শকদের নিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়। মেধাবী ও মানবিক জাতি গঠনে সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩৫ শিক্ষার্থী পেল সংবর্ধনা

আপডেট সময় : ০৯:৩০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১৩৫ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করেছে জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করার পাশাপাশি একটি মেধাবী ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভোলার মরহুম মন্ত্রী মোশারেফ হোসেন শাহজাহানের বাসভবন প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকের এই শিক্ষার্থীরাই দেশের আগামীর ভবিষ্যৎ। কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হবে না, বরং তাদের সৎ, মানবিক ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার ব্রত নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন। বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং উচ্চতর লক্ষ্য অর্জনে তাদের অনুপ্রাণিত করে।

জাতীয় বন্ধুজন পরিষদের ভোলার প্রধান সমন্বয়ক আসিফ আলতাফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রধান সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস, যুবদল সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদ, সদস্য সচিব মুনতাসীর আলম চৌধুরী রবিন, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাসেল এবং সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ রুবেল। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই আয়োজনে অংশ নেন।

সভাপতির বক্তব্যে আসিফ আলতাফ বলেন, ভোলার মতো একটি ছোট্ট শহর থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেও তারা যেন নিজ শহরের শিকড়কে ভুলে না যায়। তাদের শৈশব ও শিক্ষাজীবনের সুন্দর স্মৃতি যেন ভোলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে, মূলত সেই ভাবনা থেকেই এই সংবর্ধনার আয়োজন। শেষে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃতী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় দর্শকদের নিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়। মেধাবী ও মানবিক জাতি গঠনে সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।