ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা স্বৈরাচার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি টঙ্গীর তুরাগ নদে নিখোঁজের ২৩ ঘণ্টা পর দুই শিশুর

মারণাস্ত্র নয়, সংলাপে সমস্যার সমাধান চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 11
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে বক্তৃতা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে আয়োজিত এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বিশ্বশান্তি ও বৈশ্বিক সংহতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী বীর ছাত্র-জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে আত্মত্যাগকারীদের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। একে অপরের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, মারণাস্ত্র কোনো সমস্যার সমাধান নয়; বরং যুক্তি, কূটনীতি, শিক্ষা এবং মানবতাই হলো পরিবর্তনের প্রকৃত হাতিয়ার। তিনি বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, যেকোনো সংঘাতের টেকসই সমাধান আলোচনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্ভব। বিশ্বশান্তি রক্ষায় দ্বিপাক্ষিক কিংবা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায্যতা এবং পারস্পরিক সম্মান রক্ষাকে মূল ভিত্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি তীব্র চাপের মুখে রয়েছে।

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের লড়াইয়ের পর ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। জাতিসংঘের এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি নিজের স্মৃতিকাতরতার কথা তুলে ধরে বলেন, তার পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও অতীতে এই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

গ্লোবালাইজেশনের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব অন্য দেশগুলোতেও পড়ে। বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর মানবিক সংকট মোকাবিলায় তিনি বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ নয় বছর ধরে আশ্রয় দেওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই বোঝা বাংলাদেশের সম্পদ ও পরিবেশের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, রোহিঙ্গা সমস্যার উৎস মিয়ানমারে, তাই সমাধানও সেখানেই হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্লোবালাইজেশনের এই সময়ে বিশ্বের যে প্রান্তে যা কিছুই ঘটুক, প্রতিটি রাষ্ট্রেই কমবেশি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মানব সৃষ্ট বিরাজমান সংঘাতের ফলে বর্তমানে অনেক দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেয়ার প্রবণতা বিশ্বশান্তির অন্তরায়।

দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ থেকে উত্তরণের অপেক্ষায় রয়েছে। এর জন্য অর্থায়ন, বাজার সুবিধা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে আন্তর্জাতিক সহায়তা জরুরি। এছাড়া, গত জুন মাসে সারা দেশে স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণকে তিনি তরুণ প্রজন্মের অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে কর্মক্ষম জনশক্তিকে দক্ষ সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

প্রযুক্তির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজনে পরিণত না হয়। তিনি এ বিষয়ে জাতিসংঘের একটি কার্যকর ও সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান। পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কার্যক্রম এবং বন্যা-খরা মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের কথাও তিনি তুলে ধরেন।

পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান যে, সরকার গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে দেওয়া ‘৩১ দফা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে, যার সঙ্গে জাতিসংঘের এসডিজি লক্ষ্যের বড় অংশের মিল রয়েছে। স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মারণাস্ত্র নয়, সংলাপে সমস্যার সমাধান চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে বক্তৃতা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে আয়োজিত এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বিশ্বশান্তি ও বৈশ্বিক সংহতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী বীর ছাত্র-জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে আত্মত্যাগকারীদের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। একে অপরের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, মারণাস্ত্র কোনো সমস্যার সমাধান নয়; বরং যুক্তি, কূটনীতি, শিক্ষা এবং মানবতাই হলো পরিবর্তনের প্রকৃত হাতিয়ার। তিনি বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, যেকোনো সংঘাতের টেকসই সমাধান আলোচনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্ভব। বিশ্বশান্তি রক্ষায় দ্বিপাক্ষিক কিংবা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায্যতা এবং পারস্পরিক সম্মান রক্ষাকে মূল ভিত্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি তীব্র চাপের মুখে রয়েছে।

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের লড়াইয়ের পর ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। জাতিসংঘের এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি নিজের স্মৃতিকাতরতার কথা তুলে ধরে বলেন, তার পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও অতীতে এই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

গ্লোবালাইজেশনের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব অন্য দেশগুলোতেও পড়ে। বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর মানবিক সংকট মোকাবিলায় তিনি বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ নয় বছর ধরে আশ্রয় দেওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই বোঝা বাংলাদেশের সম্পদ ও পরিবেশের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, রোহিঙ্গা সমস্যার উৎস মিয়ানমারে, তাই সমাধানও সেখানেই হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্লোবালাইজেশনের এই সময়ে বিশ্বের যে প্রান্তে যা কিছুই ঘটুক, প্রতিটি রাষ্ট্রেই কমবেশি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মানব সৃষ্ট বিরাজমান সংঘাতের ফলে বর্তমানে অনেক দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেয়ার প্রবণতা বিশ্বশান্তির অন্তরায়।

দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ থেকে উত্তরণের অপেক্ষায় রয়েছে। এর জন্য অর্থায়ন, বাজার সুবিধা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে আন্তর্জাতিক সহায়তা জরুরি। এছাড়া, গত জুন মাসে সারা দেশে স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণকে তিনি তরুণ প্রজন্মের অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে কর্মক্ষম জনশক্তিকে দক্ষ সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

প্রযুক্তির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজনে পরিণত না হয়। তিনি এ বিষয়ে জাতিসংঘের একটি কার্যকর ও সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান। পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কার্যক্রম এবং বন্যা-খরা মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের কথাও তিনি তুলে ধরেন।

পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান যে, সরকার গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে দেওয়া ‘৩১ দফা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে, যার সঙ্গে জাতিসংঘের এসডিজি লক্ষ্যের বড় অংশের মিল রয়েছে। স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।