ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট লড়াই: যেসব রাজ্যে ভাগ্য বদলাতে পারে ট্রাম্পের

  • আপডেট সময় : ১০:৪৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচনকে ঘিরে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাবে কিনা, তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা চলছে। তবে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ এখনো বেশ জটিল। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিএনএনের এসএসআরএস জরিপ অনুযায়ী, নিজ নিজ কংগ্রেসনাল আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের তুলনায় ১০ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন। অথচ প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা বর্তমানে মাত্র ৩৩ শতাংশ। নভেম্বরের নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় মার্কিন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে আসার ব্যাপারে উচ্ছ্বাস তুঙ্গে, কিন্তু বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। রাজ্যটিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে জরিপ ও নির্বাচনি প্রচারের বর্তমান পরিস্থিতি চূড়ান্ত ফল নিশ্চিত করে না; নির্বাচনের আগের দিনগুলোতে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে।

আলাস্কার পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। এখানে রিপাবলিকান সিনেটর ড্যান সুলিভানের বিরুদ্ধে লড়ছেন ডেমোক্র্যাট সাবেক কংগ্রেস সদস্য মেরি পেলটোলা। নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনার জরিপ বলছে, পেলটোলা সাত পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। সুলিভান অবশ্য ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার বিষয়টিকে তার প্রচারণার কেন্দ্রে রেখেছেন। একইসাথে তিনি এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন। কারণ এর অর্থনৈতিক প্রভাব রাজ্যটিতে পড়েছে, যার ফলে রাজ্যের গ্যাসের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

মেইনে রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স ও ডেমোক্র্যাট ট্রয় জ্যাকসনের লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি পর্যায়ে রয়েছে। কলিন্স একমাত্র রিপাবলিকান সিনেটর যিনি এমন একটি রাজ্যে লড়ছেন যেখানে ২০২৪ সালে কমলা হ্যারিস জয়ী হয়েছিলেন। তার গর্ভপাত বিষয়ক অবস্থান এবং ট্রাম্পের প্রতি ভোটারের অসন্তোষ এখানে বড় প্রভাব ফেলছে। এদিকে টেক্সাসে রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন ও ডেমোক্র্যাট জেমস টালারিকোর লড়াইয়ে ব্যবধান খুবই কম। সিএনএনের হিসাবে টালারিকো ৪৯ শতাংশ ও প্যাক্সটন ৪৭ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। টালারিকোর দক্ষতা এবং প্যাক্সটনের রাজনৈতিক কৌশল ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। তবে ২০২৪ সালে ট্রাম্প যেখানে ১৪ পয়েন্টের ব্যবধানে জিতেছিলেন, সেখানে টালারিকোর জয় পাওয়া বেশ কঠিন। সাম্প্রতিক জরিপে কোনো প্রার্থীই স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে নেই। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা এমন তীব্র করে তোলার ক্ষেত্রে টালারিকোর দক্ষতা এবং প্যাক্সটনের রাজনৈতিক বুঝ ডেমোক্র্যাটদের আশা জাগাচ্ছে যে, তারা হয়তো অবশেষে রাজ্যব্যাপী নির্বাচনে তাদের ৩২ বছরের পরাজয়ের ধারা ভাঙতে পারবে। কিন্তু তা করতে হলে, টালারিকোকে এমন একটি রাজ্যে জিততেই হবে যেখানে ২০২৪ সালে ট্রাম্প প্রায় ১৪ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। সিএনএনের জরিপের গড় হিসাবে টুরেক ৪৭ শতাংশ এবং হিনসন ৪৬ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। ৯৪ বছর ধরে রাজ্যটিতে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত না হওয়ায় এই লড়াই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মিশিগানের সিনেট লড়াইয়ে আবদুল এল-সাইয়েদ ও মাইক রজার্সের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাচ্ছে, যেখানে উভয়েই ৪৯ ও ৪৭ শতাংশ সমর্থন নিয়ে লড়ছেন। এখানে মুসলিম ব্রাদারহুডকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে এল-সায়েদ নিজেকে ন্যায়সংগত অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন। প্রচারণার অর্থের দিকে তাকালে দেখা যায়, পরবর্তী দুই সপ্তাহে রিপাবলিকানরা ২ কোটি ৭২ লাখ ডলার এবং ডেমোক্র্যাটরা দেড় কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছেন। আইওয়ায় ডেমোক্র্যাট জশ টুরেক ও রিপাবলিকান অ্যাশলি হিনসনের ব্যবধান মাত্র এক পয়েন্টের। রাজ্যটির তিন-চতুর্থাংশ ভোটার মনে করেন, ট্রাম্পের নীতির কারণেই জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটিক মনোনীত প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে ইসলামি সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত স্বার্থের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করছে এবং এর বিপরীতে এল-সায়েদ যুক্তি দিচ্ছেন যে, সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ও বারাক ওবামার মতো একই ‘দ্বৈত।

কানসাসে দীর্ঘ ৯৪ বছরের ডেমোক্র্যাট খরা কাটানোর আশা করছেন অ্যাডাম হ্যামিল্টন।

সেখানে রিপাবলিকান রজার মার্শালের সঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা সমান সমান পর্যায়ে রয়েছে।

নিউ হ্যাম্পশায়ারে কংগ্রেস সদস্য ক্রিস পাপাস সাবেক সিনেটর জন সুনুনুর চেয়ে আট পয়েন্টে এগিয়ে আছেন।

ট্রাম্পের কম জনপ্রিয়তা এখানে পাপাসের জন্য বাড়তি সুবিধা বয়ে আনছে। অন্যদিকে জর্জিয়ার পরিস্থিতি কিছুটা ব্যতিক্রম; ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জন অসফ মাইক কলিন্সের তুলনায় ৮ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে নিজের অবস্থান সুসংহত রেখেছেন। যদিও ট্রাম্প এখানে জিতেছিলেন, তবে বর্তমানে রিপাবলিকানদের হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা আসনের তালিকায় জর্জিয়া নিচের দিকেই রয়েছে। সব মিলিয়ে এই ১০টি আসনের ফলাফলই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে মার্কিন সিনেটের আগামী দিনের নিয়ন্ত্রণ। নভেম্বরে হাতবদল হওয়ার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যগুলোর তালিকায় জর্জিয়া একেবারে তলানিতে রয়েছে, কারণ ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জন অসফ সেই রাজ্যটিতে নিজের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছেন বলে ম। জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত আটলান্টা জার্নাল-কন্সটিটিউশনের এক জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকান প্রতিনিধি মাইক কলিন্সের চেয়ে অসফ ৮ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন (৪৮% বনাম ৪০%)।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট লড়াই: যেসব রাজ্যে ভাগ্য বদলাতে পারে ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ১০:৪৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচনকে ঘিরে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাবে কিনা, তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা চলছে। তবে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ এখনো বেশ জটিল। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিএনএনের এসএসআরএস জরিপ অনুযায়ী, নিজ নিজ কংগ্রেসনাল আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের তুলনায় ১০ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন। অথচ প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা বর্তমানে মাত্র ৩৩ শতাংশ। নভেম্বরের নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় মার্কিন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে আসার ব্যাপারে উচ্ছ্বাস তুঙ্গে, কিন্তু বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। রাজ্যটিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে জরিপ ও নির্বাচনি প্রচারের বর্তমান পরিস্থিতি চূড়ান্ত ফল নিশ্চিত করে না; নির্বাচনের আগের দিনগুলোতে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে।

আলাস্কার পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। এখানে রিপাবলিকান সিনেটর ড্যান সুলিভানের বিরুদ্ধে লড়ছেন ডেমোক্র্যাট সাবেক কংগ্রেস সদস্য মেরি পেলটোলা। নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনার জরিপ বলছে, পেলটোলা সাত পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। সুলিভান অবশ্য ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার বিষয়টিকে তার প্রচারণার কেন্দ্রে রেখেছেন। একইসাথে তিনি এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন। কারণ এর অর্থনৈতিক প্রভাব রাজ্যটিতে পড়েছে, যার ফলে রাজ্যের গ্যাসের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

মেইনে রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স ও ডেমোক্র্যাট ট্রয় জ্যাকসনের লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি পর্যায়ে রয়েছে। কলিন্স একমাত্র রিপাবলিকান সিনেটর যিনি এমন একটি রাজ্যে লড়ছেন যেখানে ২০২৪ সালে কমলা হ্যারিস জয়ী হয়েছিলেন। তার গর্ভপাত বিষয়ক অবস্থান এবং ট্রাম্পের প্রতি ভোটারের অসন্তোষ এখানে বড় প্রভাব ফেলছে। এদিকে টেক্সাসে রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন ও ডেমোক্র্যাট জেমস টালারিকোর লড়াইয়ে ব্যবধান খুবই কম। সিএনএনের হিসাবে টালারিকো ৪৯ শতাংশ ও প্যাক্সটন ৪৭ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। টালারিকোর দক্ষতা এবং প্যাক্সটনের রাজনৈতিক কৌশল ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। তবে ২০২৪ সালে ট্রাম্প যেখানে ১৪ পয়েন্টের ব্যবধানে জিতেছিলেন, সেখানে টালারিকোর জয় পাওয়া বেশ কঠিন। সাম্প্রতিক জরিপে কোনো প্রার্থীই স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে নেই। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা এমন তীব্র করে তোলার ক্ষেত্রে টালারিকোর দক্ষতা এবং প্যাক্সটনের রাজনৈতিক বুঝ ডেমোক্র্যাটদের আশা জাগাচ্ছে যে, তারা হয়তো অবশেষে রাজ্যব্যাপী নির্বাচনে তাদের ৩২ বছরের পরাজয়ের ধারা ভাঙতে পারবে। কিন্তু তা করতে হলে, টালারিকোকে এমন একটি রাজ্যে জিততেই হবে যেখানে ২০২৪ সালে ট্রাম্প প্রায় ১৪ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। সিএনএনের জরিপের গড় হিসাবে টুরেক ৪৭ শতাংশ এবং হিনসন ৪৬ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। ৯৪ বছর ধরে রাজ্যটিতে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত না হওয়ায় এই লড়াই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মিশিগানের সিনেট লড়াইয়ে আবদুল এল-সাইয়েদ ও মাইক রজার্সের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাচ্ছে, যেখানে উভয়েই ৪৯ ও ৪৭ শতাংশ সমর্থন নিয়ে লড়ছেন। এখানে মুসলিম ব্রাদারহুডকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে এল-সায়েদ নিজেকে ন্যায়সংগত অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন। প্রচারণার অর্থের দিকে তাকালে দেখা যায়, পরবর্তী দুই সপ্তাহে রিপাবলিকানরা ২ কোটি ৭২ লাখ ডলার এবং ডেমোক্র্যাটরা দেড় কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছেন। আইওয়ায় ডেমোক্র্যাট জশ টুরেক ও রিপাবলিকান অ্যাশলি হিনসনের ব্যবধান মাত্র এক পয়েন্টের। রাজ্যটির তিন-চতুর্থাংশ ভোটার মনে করেন, ট্রাম্পের নীতির কারণেই জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটিক মনোনীত প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে ইসলামি সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত স্বার্থের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করছে এবং এর বিপরীতে এল-সায়েদ যুক্তি দিচ্ছেন যে, সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ও বারাক ওবামার মতো একই ‘দ্বৈত।

কানসাসে দীর্ঘ ৯৪ বছরের ডেমোক্র্যাট খরা কাটানোর আশা করছেন অ্যাডাম হ্যামিল্টন।

সেখানে রিপাবলিকান রজার মার্শালের সঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা সমান সমান পর্যায়ে রয়েছে।

নিউ হ্যাম্পশায়ারে কংগ্রেস সদস্য ক্রিস পাপাস সাবেক সিনেটর জন সুনুনুর চেয়ে আট পয়েন্টে এগিয়ে আছেন।

ট্রাম্পের কম জনপ্রিয়তা এখানে পাপাসের জন্য বাড়তি সুবিধা বয়ে আনছে। অন্যদিকে জর্জিয়ার পরিস্থিতি কিছুটা ব্যতিক্রম; ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জন অসফ মাইক কলিন্সের তুলনায় ৮ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে নিজের অবস্থান সুসংহত রেখেছেন। যদিও ট্রাম্প এখানে জিতেছিলেন, তবে বর্তমানে রিপাবলিকানদের হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা আসনের তালিকায় জর্জিয়া নিচের দিকেই রয়েছে। সব মিলিয়ে এই ১০টি আসনের ফলাফলই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে মার্কিন সিনেটের আগামী দিনের নিয়ন্ত্রণ। নভেম্বরে হাতবদল হওয়ার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যগুলোর তালিকায় জর্জিয়া একেবারে তলানিতে রয়েছে, কারণ ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জন অসফ সেই রাজ্যটিতে নিজের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছেন বলে ম। জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত আটলান্টা জার্নাল-কন্সটিটিউশনের এক জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকান প্রতিনিধি মাইক কলিন্সের চেয়ে অসফ ৮ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন (৪৮% বনাম ৪০%)।