ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা

  • আপডেট সময় : ১১:০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শুক্রবার, ২ অক্টোবর রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজারে নিত্যপণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির দাম এখনও বেশ চড়া। বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শীতের আগাম সবজি শিম, যার প্রতি কেজির দাম ২০০ টাকা। তবে তুলনামূলক কম দামে মিলছে পেঁপে, যা কেজিপ্রতি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাধারণ সবজি যেমন বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হচ্ছে।

বাজারে সবজির দামের তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। এছাড়া কচুরমুখি ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে শসার দাম নিয়ে মিশ্র চিত্র রয়েছে; সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা হলেও দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে কাঁচা মরিচের ক্ষেত্রে, যা সরবরাহ বাড়ায় বর্তমানে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ আগে ২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত ওঠা মরিচ এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, বেগুন ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা এবং এক পোয়া মরিচ ৪০ টাকায় কিনেছেন। মাছের আকার, জীবিত বা মৃত হওয়া এবং বাজারভেদে দামে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য রয়েছে।

মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যে স্থির রয়েছে; প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা বা হালি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া জানান, সব ধরনের পণ্যের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বিক্রেতা মাসুম বলেন, ফার্মের মুরগির ডিম এখন ডজন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

মাছের বাজারে তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য মাছের মধ্যে পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ট্যাংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০, চাষের কই ৩০০ এবং চাষের শিং আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পোয়া ২৬০, শোল ৭০০ এবং রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছের দাম হাজার টাকার উপরে। মাছ বিক্রেতা সুলতান আহমদ জানান, চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে একই দিনে মাছের দামে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা

আপডেট সময় : ১১:০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

শুক্রবার, ২ অক্টোবর রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজারে নিত্যপণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির দাম এখনও বেশ চড়া। বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শীতের আগাম সবজি শিম, যার প্রতি কেজির দাম ২০০ টাকা। তবে তুলনামূলক কম দামে মিলছে পেঁপে, যা কেজিপ্রতি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সাধারণ সবজি যেমন বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হচ্ছে।

বাজারে সবজির দামের তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। এছাড়া কচুরমুখি ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে শসার দাম নিয়ে মিশ্র চিত্র রয়েছে; সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা হলেও দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে কাঁচা মরিচের ক্ষেত্রে, যা সরবরাহ বাড়ায় বর্তমানে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ আগে ২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত ওঠা মরিচ এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, বেগুন ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা এবং এক পোয়া মরিচ ৪০ টাকায় কিনেছেন। মাছের আকার, জীবিত বা মৃত হওয়া এবং বাজারভেদে দামে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য রয়েছে।

মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যে স্থির রয়েছে; প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা বা হালি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া জানান, সব ধরনের পণ্যের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বিক্রেতা মাসুম বলেন, ফার্মের মুরগির ডিম এখন ডজন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

মাছের বাজারে তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য মাছের মধ্যে পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ট্যাংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০, চাষের কই ৩০০ এবং চাষের শিং আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পোয়া ২৬০, শোল ৭০০ এবং রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছের দাম হাজার টাকার উপরে। মাছ বিক্রেতা সুলতান আহমদ জানান, চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে একই দিনে মাছের দামে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।