রুমায় ১৮ কৃষকের দক্ষতায় সেনাবাহিনীর কৃষি প্রশিক্ষণ শুরু
- আপডেট সময় : ০৮:৫১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 6
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় পাহাড়ি এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রুমা গ্যারিসনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের ব্যবস্থাপনায় ও ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের পরিচালনায় এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। প্রথম পর্যায়ে মোট ১৮ জন প্রশিক্ষণার্থী এই কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেছারুল হক আশিফ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম ফরিদুল হক, ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের ক্যাপ্টেন ওআইসি মো. নাইমুর রেজা রাহাত, উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ভবতোষ চক্রবর্তী এবং স্থানীয় নার্সারি মালিক ক্যউসিং মার্মাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্দেশ্য সম্পর্কে আয়োজকরা জানিয়েছেন, পাহাড়ের কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। এখানে তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও উদ্যোক্তা হওয়ার কৌশল শেখানো হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ১৮ জন প্রশিক্ষণার্থী আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাওয়ায় নিজেদের স্বাবলম্বী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেছারুল হক আশিফ বলেন, পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে সেনাবাহিনী সবসময় পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের আন্তরিকতার সঙ্গে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হবে এবং অর্জিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে যেন তারা স্বাবলম্বী হতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহায়তা দেওয়া হবে।
রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম ফরিদুল হক জানান, সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণার্থীদের কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন ব্যবহারিক জ্ঞান দেওয়া হবে। পাহাড়ি কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার এই উদ্যোগটি স্থানীয় পর্যায়ে কৃষিশিল্পের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
























