শাহজালালে হারানো ব্যাগ উদ্ধার: ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদের তৎপরতায় উপকৃত যাত্রীরা
- আপডেট সময় : ০৭:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / 0
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে মাত্র এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় এক যাত্রীর হারিয়ে যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যাগটি শনাক্ত করার পর তা প্রকৃত মালিকের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান ও তাঁর দায়িত্বপ্রাপ্ত দল শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে নিজেদের ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু সফল উদ্যোগের তথ্য তুলে ধরেন। তারা জানান, প্রায় প্রতিদিনই বিমানবন্দরের যাত্রীদের নানা ছোট-বড় সমস্যার দ্রুত সমাধানে কাজ করে যাচ্ছেন।
ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান জানান, ব্যাগ উদ্ধারের পাশাপাশি আরও একাধিক যাত্রীর ভোগান্তি লাঘবে তারা কাজ করেছেন। অনলাইনে চেক-ইন করেও ফ্লাইট মিস করার ঝুঁকিতে থাকা এক প্রবাসী যাত্রীকে বিমান ধরতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এবং বিমানবন্দরের কর্মীরা সমন্বিতভাবে ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া হয়রানির শিকার হওয়া আরেক প্রবাসী যাত্রীর জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এক যাত্রীর পকেট থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে।
এসব সেবামূলক কাজের বাইরে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের তথ্যও উঠে এসেছে ওই পোস্টে। শনিবার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গণউপদ্রব সৃষ্টির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরাধের মাত্রা ও ধরন অনুযায়ী মোট ১৮ জনকে আইনের আওতায় এনে বিভিন্ন দণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব পদক্ষেপের ফলে সংশ্লিষ্ট যাত্রী ছাড়াও বিমানবন্দরের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। একই দিনে একজন নেশাগ্রস্ত গণউপদ্রবকারীকে কারাদণ্ড দেওয়াসহ মোট ১৮ জনকে অপরাধ অনুযায়ী বিভিন্ন দণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, এসব ইতিবাচক উদ্যোগ কেবল তাঁর একার প্রচেষ্টায় নয়, বরং পুরো দলের প্রতিদিনের পরিশ্রমের ফসল। তিনি জানান, অনেক সময় বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া নানা নেতিবাচক ঘটনার ভিড়ে এসব ভালো কাজের খবর আড়ালে থেকে যায়। আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে অনেক জটিল সমস্যার সমাধানও দ্রুত করা সম্ভব হয়। সমস্যার সমাধানের পর যাত্রীদের চোখেমুখে তৃপ্তি ও কৃতজ্ঞতা দেখাই তাঁদের কাজের মূল প্রেরণা। বিমানবন্দরে দায়িত্বরত সব সহকর্মীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি দেশের মানুষের কল্যাণ কামনা করেন। আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় শনিবারও বেশ কয়েকজন যাত্রীর সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়ে তাদের উপকার করতে পারা তাঁর কাছে আনন্দ ও তৃপ্তির বিষয়। সমস্যার সমাধানের পর মানুষের চোখে কৃতজ্ঞতার যে প্রতিফলন দেখা যায়, সেটিই তাঁদের কাজের অন্যতম বড় অনুপ্রেরণা।
























