ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা স্বৈরাচার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই: বিমানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ১২:০২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 20
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, জনগণের অর্থ অপচয় না করে বরং টার্মিনালটি দ্রুত চালু করাকেই সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে মন্ত্রী জানান। প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হবে এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সক্ষমতা বাড়ানো হবে। টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হলে বিমানবন্দরের যাত্রী হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় চার গুণ বৃদ্ধি পাবে এবং সর্বোচ্চ ২৫০টি এয়ারক্রাফট পরিচালনার অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি হবে, যা বিমানবন্দরের ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হবে।

তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও আর্থিক দিক নিয়ে মন্ত্রী জানান, জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজস্বের অংশ ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। এই বাড়তি আয় টার্মিনাল নির্মাণের ঋণ পরিশোধে ব্যবহৃত হবে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের প্রায় ৯০০ কোটি টাকার কিস্তি পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিমান অবতরণের পর ১৫ মিনিটের মধ্যে যাত্রীদের লাগেজ পৌঁছে দিতে হবে। এই সময়ের মধ্যে লাগেজ দিতে ব্যর্থ হলে সিভিল এভিয়েশন সংশ্লিষ্টদের ওপর জরিমানা আরোপ করবে। এছাড়া গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক এই টার্মিনাল শুধু যাত্রীসেবার মানই বাড়াবে না, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ সাকি এবং বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, বিমান অবতরণের পর ১৫ মিনিটের মধ্যে যাত্রীর হাতে লাগেজ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ফলে বিমানবন্দরের ওপর বিদ্যমান চাপ অনেকটাই কমবে এবং যাত্রীসেবার মানও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সরকারের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অতিরিক্ত রাজস্ব ভবিষ্যতে টার্মিনাল নির্মাণের জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধে সহায়তা করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মাধ্যমে বিমানের কর্মীদের দক্ষতা কাজে লাগানোর পাশাপাশি সেবার মান উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই: বিমানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:০২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, জনগণের অর্থ অপচয় না করে বরং টার্মিনালটি দ্রুত চালু করাকেই সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে মন্ত্রী জানান। প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হবে এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সক্ষমতা বাড়ানো হবে। টার্মিনালটি পুরোপুরি সচল হলে বিমানবন্দরের যাত্রী হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় চার গুণ বৃদ্ধি পাবে এবং সর্বোচ্চ ২৫০টি এয়ারক্রাফট পরিচালনার অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি হবে, যা বিমানবন্দরের ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হবে।

তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও আর্থিক দিক নিয়ে মন্ত্রী জানান, জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজস্বের অংশ ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। এই বাড়তি আয় টার্মিনাল নির্মাণের ঋণ পরিশোধে ব্যবহৃত হবে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের প্রায় ৯০০ কোটি টাকার কিস্তি পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিমান অবতরণের পর ১৫ মিনিটের মধ্যে যাত্রীদের লাগেজ পৌঁছে দিতে হবে। এই সময়ের মধ্যে লাগেজ দিতে ব্যর্থ হলে সিভিল এভিয়েশন সংশ্লিষ্টদের ওপর জরিমানা আরোপ করবে। এছাড়া গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক এই টার্মিনাল শুধু যাত্রীসেবার মানই বাড়াবে না, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ সাকি এবং বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, বিমান অবতরণের পর ১৫ মিনিটের মধ্যে যাত্রীর হাতে লাগেজ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ফলে বিমানবন্দরের ওপর বিদ্যমান চাপ অনেকটাই কমবে এবং যাত্রীসেবার মানও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সরকারের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অতিরিক্ত রাজস্ব ভবিষ্যতে টার্মিনাল নির্মাণের জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধে সহায়তা করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মাধ্যমে বিমানের কর্মীদের দক্ষতা কাজে লাগানোর পাশাপাশি সেবার মান উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে।