ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ০৭:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- / 0
দেশের বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্রের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের মতোই সব অপতৎপরতার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক র্যালিপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন। এদিন বেলা ১২টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে সমবেত হতে থাকেন নেতা-কর্মীরা। কাকরাইল থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত পুরো এলাকা জনতার ঢলে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। হাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আলোকচিত্র সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও লাল-সবুজ পতাকা নিয়ে বর্ণাঢ্য সাজে অংশ নেন তারা। নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন রঙের ক্যাপ ও গেঞ্জি পরিধান করে র্যালিকে বর্ণাঢ্য রুপ দেন। আবার তারা আমি-ডামি নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু করতে চায়। একাত্তরের মতো, নব্বইয়ের মতো, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের মতো আবারও দাঁতভাঙা জবাব আমরা দিতে চাই। আজকে ৭ই নভেম্বরের বিপ্লব র্যালি হোক আমাদের সেই প্রত্যাশা পূরণের দিন।
বিকাল ৩টায় অস্থায়ী মঞ্চে উঠেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ এবং এজেডএম জাহিদ হোসেন। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ধারাবাহিকতায় বর্তমানেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে দাবিয়ে রাখার অপচেষ্টা চলছে। তিনি একে গণতন্ত্র ও বাক-স্বাধীনতা রক্ষার দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ৫ই আগস্ট স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করার মতোই সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে দেবে। এ সময় তিনি স্লোগান দেন, ‘দিল্লী নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো এখনও তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। একই সঙ্গে যে গণতন্ত্রকে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট বাংলাদেশের মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছে সেই গণতন্ত্রকে রক্ষার দিন হোক আজকের এই ৭ই নভেম্বর। যেভাবে ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সেই অপশক্তি পরাজিত হয়েছিল, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট, একইভাবে সেই অপশক্তি পরাজিত হয়েছে দেশের মানুষের অংশগ্রহণে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
তারেক রহমান উপস্থিত হাজার হাজার নেতা-কর্মীর উদ্দেশ্যে জিজ্ঞাসা করেন, তারা তার সাথে আছেন কি না। উপস্থিত জনতা করতালির মাধ্যমে তাকে পূর্ণ সমর্থন জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের ভেতর বা বাইরে কোনো ষড়যন্ত্রই বাংলাদেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বক্তব্য শেষে তিনি পায়ে হেঁটে র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। বিকেলে সাড়ে ৪টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছে সমাপনী বক্তব্য রাখার মাধ্যমে তিনি এদিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এই র্যালিতে মন্ত্রিসভার সদস্যসহ দলের সর্বস্তরের নেতারা যোগ দেন। এই সময়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন জানান।
























