ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা স্বৈরাচার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি টঙ্গীর তুরাগ নদে নিখোঁজের ২৩ ঘণ্টা পর দুই শিশুর

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সাদামাটা জীবনযাপনের প্রশংসা বিরোধীদলীয় নেতার, দিলেন খাবারের আমন্ত্রণ

  • আপডেট সময় : ০১:৩২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 16
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোমবার জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালী-বিধির ৬৮ বিধির আওতায় আলোচনার সময় এক অনানুষ্ঠানিক ও কৌতূহলী পরিবেশ তৈরি হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর জীবনযাপনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এই সাদামাটা জীবনযাপন তাকে উৎসাহিত করে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, এত কম খরচে তিনি নিজে খাবার খেতে পারেন না, তার খরচ কিছুটা বেশিই হয়।

বিরোধীদলীয় নেতার এই মন্তব্যের সময় সংসদে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে হাতের ইশারায় তাকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। একই সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও মাইক ছাড়াই বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আপ্যায়নের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইশারা করেন। এর জবাবে শফিকুর রহমান রসিকতা করে বলেন, “হ্যাঁ, খাওয়ায় দিবেন? অনেক ধন্যবাদ। আমি তো একা খাব না। আমি তো ১৮ কোটি মানুষ নিয়ে খাইতে চাই। আমি সবাইকে নিয়ে খেতে চাই। তারপরেও ধন্যবাদ এই অফারটা দেওয়ার জন্য।”

প্রধানমন্ত্রী জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক বা বিলাসিতা পরিহার করে যেভাবে সাধারণভাবে চলেন, তাকে অনুসরণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসাকারীদের সমালোচনা করে বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রীকে নিজেদের ‘আইকন’ হিসেবে দাবি করেন, তাদের আচরণে অনেক সময় এর বিপরীত চিত্র দেখা যায়। তিনি আরও বলেন, “তিনি যদি এই সমস্ত মানুষের আইকন হয়ে থাকেন, তাহলে তাকে তো ফলো করা উচিত। সকল ক্ষেত্রে ফলো করা উচিত। তখন সেটা তো আমরা দেখি না। আমরা জাস্ট তার রিভার্সটাই দেখি।”

নিজের বক্তব্যে শফিকুর রহমান আরও যোগ করেন যে, কাউকে আইকন মানলে তার ভালো দিকগুলো অনুসরণ করা জরুরি। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী ভুলের ঊর্ধ্বে নন এবং তার সব কথায় অন্ধভাবে ‘হ্যাঁ’ বলার প্রয়োজন নেই। এর আগে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও কার্যকর অবস্থান নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণ এত কম টাকায় আমিও খাইতে পারি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সাদামাটা জীবনযাপনের প্রশংসা বিরোধীদলীয় নেতার, দিলেন খাবারের আমন্ত্রণ

আপডেট সময় : ০১:৩২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোমবার জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালী-বিধির ৬৮ বিধির আওতায় আলোচনার সময় এক অনানুষ্ঠানিক ও কৌতূহলী পরিবেশ তৈরি হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর জীবনযাপনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এই সাদামাটা জীবনযাপন তাকে উৎসাহিত করে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, এত কম খরচে তিনি নিজে খাবার খেতে পারেন না, তার খরচ কিছুটা বেশিই হয়।

বিরোধীদলীয় নেতার এই মন্তব্যের সময় সংসদে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে হাতের ইশারায় তাকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। একই সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও মাইক ছাড়াই বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আপ্যায়নের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইশারা করেন। এর জবাবে শফিকুর রহমান রসিকতা করে বলেন, “হ্যাঁ, খাওয়ায় দিবেন? অনেক ধন্যবাদ। আমি তো একা খাব না। আমি তো ১৮ কোটি মানুষ নিয়ে খাইতে চাই। আমি সবাইকে নিয়ে খেতে চাই। তারপরেও ধন্যবাদ এই অফারটা দেওয়ার জন্য।”

প্রধানমন্ত্রী জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক বা বিলাসিতা পরিহার করে যেভাবে সাধারণভাবে চলেন, তাকে অনুসরণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসাকারীদের সমালোচনা করে বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রীকে নিজেদের ‘আইকন’ হিসেবে দাবি করেন, তাদের আচরণে অনেক সময় এর বিপরীত চিত্র দেখা যায়। তিনি আরও বলেন, “তিনি যদি এই সমস্ত মানুষের আইকন হয়ে থাকেন, তাহলে তাকে তো ফলো করা উচিত। সকল ক্ষেত্রে ফলো করা উচিত। তখন সেটা তো আমরা দেখি না। আমরা জাস্ট তার রিভার্সটাই দেখি।”

নিজের বক্তব্যে শফিকুর রহমান আরও যোগ করেন যে, কাউকে আইকন মানলে তার ভালো দিকগুলো অনুসরণ করা জরুরি। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী ভুলের ঊর্ধ্বে নন এবং তার সব কথায় অন্ধভাবে ‘হ্যাঁ’ বলার প্রয়োজন নেই। এর আগে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও কার্যকর অবস্থান নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণ এত কম টাকায় আমিও খাইতে পারি না।