ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উখিয়ায় গভীর নলকূপের অগ্নিকাণ্ড: ৪০ ঘণ্টাতেও জ্বলছে গ্যাসের শিখা নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করে টেকসই অর্থনীতির রূপকল্পে বুয়েটে উৎসব জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারকসহ একাধিক চুক্তিতে সই বাংলাদেশের পাবনায় ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন কৃষি কর্মকর্তা ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় দুই হাজার ভিয়েতনামের লং থান বিমানবন্দরে সপ্তাহে ৩৬৬ ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ীকে মৃত্যুর ঘটনায়, চাঞ্চল্য বাংলাদেশের পাঁচ খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মশার কয়েল থেকে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব বৃদ্ধ গুটু শেখ

সাহিত্যে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন কানাডীয় লেখক অ্যান কারসন

  • আপডেট সময় : ০৬:২১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 11
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাহিত্যে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কানাডার প্রখ্যাত কবি, লেখক ও অনুবাদক অ্যান কারসন। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে সুইডিশ অ্যাকাডেমি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করে। প্রাচীন ধ্রুপদি সাহিত্যের সঙ্গে আধুনিক ধারার লেখনীর সৃজনশীল মেলবন্ধন ঘটিয়ে নতুন এক সাহিত্যিক শৈলী উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাডেমির মতে, কারসনের সাহসী ও উদ্ভাবনী লেখনী ধ্রুপদি ঐতিহ্যকে সমকালীন সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে নতুন রূপ দিয়েছে।

১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্মগ্রহণকারী অ্যান কারসনের কর্মজীবনজুড়ে রয়েছে কবিতা লেখা, অনুবাদকর্ম ও অধ্যাপনার অভিজ্ঞতা। তার সাহিত্যিক শৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রচলিত লিখনরীতির গণ্ডি ভেঙে কবিতা, গদ্য, গবেষণা এবং মঞ্চনাট্যের উপাদানকে একীভূত করা। প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য, ভাষার ব্যুৎপত্তি এবং শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ নিয়ে গভীর কাজ করেছেন তিনি। কেবল প্রাচীন অনুবাদ নয়, আধুনিক পাঠকের উপযোগী নতুন কাঠামোয় তিনি ধ্রুপদি সাহিত্যকে উপস্থাপন করেছেন। ১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্ম নেওয়া অ্যান কারসন পেশাজীবনে কবিতা লেখা, অনুবাদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

কারসনের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে ‘দ্য গ্লাস এসে’, ‘নক্স’, ‘ডিক্রিয়েশন’ এবং ‘ফ্লোট’। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত ‘অটোবায়োগ্রাফি অব রেড’ তার অন্যতম পরিচিত কাজ, যেখানে প্রাচীন গ্রিক কবি স্টেসিকোরোসের অসম্পূর্ণ রচনার ওপর ভিত্তি করে আধুনিক মানবিক অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া গ্রিক কবি সাপফোর কবিতার অনুবাদ ‘ইফ নট, উইন্টার’ এবং ইউরিপিডিসের নাটক ‘বাক্খাই’ ও ‘ইলেক্ট্রা’-এর নতুন রূপান্তর বেশ সমাদৃত হয়েছে।

সাহিত্যের প্রচলিত পাঠরীতিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে কারসন সিদ্ধহস্ত। তার ‘ফ্লোট’ গ্রন্থে ২২টি ছোট পুস্তিকার মাধ্যমে তিনি নতুনত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এছাড়া অপেরা, নৃত্য ও থিয়েটার সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতাও তার ঝুলিতে রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এই নোবেল পুরস্কারের মূল্যমান ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। প্রসঙ্গত, গত বছর এই পুরস্কার অর্জন করেছিলেন হাঙ্গেরির লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাহিত্যে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন কানাডীয় লেখক অ্যান কারসন

আপডেট সময় : ০৬:২১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

সাহিত্যে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কানাডার প্রখ্যাত কবি, লেখক ও অনুবাদক অ্যান কারসন। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে সুইডিশ অ্যাকাডেমি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করে। প্রাচীন ধ্রুপদি সাহিত্যের সঙ্গে আধুনিক ধারার লেখনীর সৃজনশীল মেলবন্ধন ঘটিয়ে নতুন এক সাহিত্যিক শৈলী উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাডেমির মতে, কারসনের সাহসী ও উদ্ভাবনী লেখনী ধ্রুপদি ঐতিহ্যকে সমকালীন সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে নতুন রূপ দিয়েছে।

১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্মগ্রহণকারী অ্যান কারসনের কর্মজীবনজুড়ে রয়েছে কবিতা লেখা, অনুবাদকর্ম ও অধ্যাপনার অভিজ্ঞতা। তার সাহিত্যিক শৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রচলিত লিখনরীতির গণ্ডি ভেঙে কবিতা, গদ্য, গবেষণা এবং মঞ্চনাট্যের উপাদানকে একীভূত করা। প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য, ভাষার ব্যুৎপত্তি এবং শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ নিয়ে গভীর কাজ করেছেন তিনি। কেবল প্রাচীন অনুবাদ নয়, আধুনিক পাঠকের উপযোগী নতুন কাঠামোয় তিনি ধ্রুপদি সাহিত্যকে উপস্থাপন করেছেন। ১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্ম নেওয়া অ্যান কারসন পেশাজীবনে কবিতা লেখা, অনুবাদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

কারসনের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে ‘দ্য গ্লাস এসে’, ‘নক্স’, ‘ডিক্রিয়েশন’ এবং ‘ফ্লোট’। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত ‘অটোবায়োগ্রাফি অব রেড’ তার অন্যতম পরিচিত কাজ, যেখানে প্রাচীন গ্রিক কবি স্টেসিকোরোসের অসম্পূর্ণ রচনার ওপর ভিত্তি করে আধুনিক মানবিক অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া গ্রিক কবি সাপফোর কবিতার অনুবাদ ‘ইফ নট, উইন্টার’ এবং ইউরিপিডিসের নাটক ‘বাক্খাই’ ও ‘ইলেক্ট্রা’-এর নতুন রূপান্তর বেশ সমাদৃত হয়েছে।

সাহিত্যের প্রচলিত পাঠরীতিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে কারসন সিদ্ধহস্ত। তার ‘ফ্লোট’ গ্রন্থে ২২টি ছোট পুস্তিকার মাধ্যমে তিনি নতুনত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এছাড়া অপেরা, নৃত্য ও থিয়েটার সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতাও তার ঝুলিতে রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এই নোবেল পুরস্কারের মূল্যমান ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। প্রসঙ্গত, গত বছর এই পুরস্কার অর্জন করেছিলেন হাঙ্গেরির লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই।