ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরবন ও মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী: সারাদিনের সফরসূচি রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান মিশনের চিঠিতে আর যা আছে: সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির মূলে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি ৩১ অক্টোবর বায়তুল মোকাররমে জামায়াতের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ লিবিয়ায় জিম্মি যুবক, থানায় গিয়েও মিলছে না সহায়তা প্রশান্ত মহাসাগরে তাপমাত্রা রেকর্ড ভাঙার আভাস, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রে ডিভি লটারি ২০২৭ চালুর নির্দেশ আদালতের ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেহের আফরোজ শাওন বাবার শেষযাত্রায় প্যারোলে মুক্তি পেলেন মৃত্যুর ঘটনা মামলার অভিযোগে

সুন্দরবন ও মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী: সারাদিনের সফরসূচি

  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সুন্দরবন ও বাগেরহাটের মোংলা বন্দর পরিদর্শনে গেছেন। দিনের শুরুতেই আকাশপথে তিনি সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ করবেন। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর কর্মতালিকায় রয়েছে মোংলা বন্দরের নতুন জেটি নির্মাণস্থল, প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন। স্থানটি চূড়ান্ত হলে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। এ ছাড়া চীনা বিনিয়োগে গড়ে ওঠার পরিকল্পনায় থাকা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারযোগে সুন্দরবনের পানে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টার দিকে হিরণ পয়েন্টের আকাশপথে পরিদর্শন শেষ করে সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করার কথা রয়েছে তাঁর। পরে নৌপথে বানৌজা মোংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তিনি। দুপুরে মোংলায় পৌঁছানোর পর ওয়ার্ড রুমে অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ড রুমের সভাকক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেলে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম ও নতুন জেটির স্থান পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে তিনি প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) এলাকাটি ঘুরে দেখবেন। এরপর বিকাল ৪টায় মোংলার হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে বিকাল ৫টায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। মধ্যাহ্নবিরতির পর দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ড রুম সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্টে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা পর্যালোচনা। সরকার এখানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির জন্য ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এই গ্যাস মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের শিল্পকারখানায় সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। গত আগস্টে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল স্থানটি পরিদর্শন করেছিল, যার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আজ সেখানে যাচ্ছেন।

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীন সরকার বড় অংকের ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।

গত ১০ অক্টোবর এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার ও চীনের এক্সিম ব্যাংক ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি করেছে।

এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৮৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় চীন সরকার মোট ২ দশমিক ৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান ঋণ দেবে, যা মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ প্রকল্পে ব্যয় হবে। প্রকল্পের আওতায় আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ দুটি কনটেইনার টার্মিনাল, কনটেইনার ইয়ার্ড, কনটেইনার ডেলিভারি ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে। চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্মসচিব আলিয়া মেহের এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের পক্ষে সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফেংজুন তিয়ান স্বাক্ষর করেন। গত ১২ অক্টোবর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ জানায়, চুক্তির আওতায় চীন সরকার প্রকল্পটির জন্য ২ দশমিক ৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান ঋণ দেবে।

এলাকার উন্নয়ন প্রত্যাশা নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে উপকূলীয় উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত হবে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, মোংলা ইপিজেডে চীনা বিনিয়োগকারীদের বিশেষ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি মোংলা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ও সড়ক যোগাযোগের উন্নতির বিষয়টিও তাঁর নজরে আসবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, নতুন জেটি নির্মাণের পাশাপাশি চ্যানেলে ড্রেজিং করা হলে বড় জাহাজ চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হবে। মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী ও ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান মানিক বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দ্রুত অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করার তাগিদ দিয়েছেন। অন্যদিকে পর্যটন ব্যবসায়ী ও লঞ্চ বডি মালিক সমিতির সভাপতি দিদারুল আলম সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো ও ইকোট্যুরিজমের প্রসারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া মোংলা বণিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান জানান, পদ্মা সেতু চালুর পর এই সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক বিকাশে নতুন মাইলফলক হতে পারে। সেখানে সম্ভাব্য শিল্পকারখানা, বিনিয়োগ এবং দেশের অর্থনীতিতে এর সুফল নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বন্দর ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান জাহানারা অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী মাহবুবুর রহমান মানিক বলেন, বন্দরের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দ্রুত সমাধান করা হলে স্থানীয় মানুষ ও ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুন্দরবন ও মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী: সারাদিনের সফরসূচি

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সুন্দরবন ও বাগেরহাটের মোংলা বন্দর পরিদর্শনে গেছেন। দিনের শুরুতেই আকাশপথে তিনি সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ করবেন। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর কর্মতালিকায় রয়েছে মোংলা বন্দরের নতুন জেটি নির্মাণস্থল, প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন। স্থানটি চূড়ান্ত হলে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। এ ছাড়া চীনা বিনিয়োগে গড়ে ওঠার পরিকল্পনায় থাকা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারযোগে সুন্দরবনের পানে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টার দিকে হিরণ পয়েন্টের আকাশপথে পরিদর্শন শেষ করে সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করার কথা রয়েছে তাঁর। পরে নৌপথে বানৌজা মোংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তিনি। দুপুরে মোংলায় পৌঁছানোর পর ওয়ার্ড রুমে অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ড রুমের সভাকক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেলে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম ও নতুন জেটির স্থান পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে তিনি প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) এলাকাটি ঘুরে দেখবেন। এরপর বিকাল ৪টায় মোংলার হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে বিকাল ৫টায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। মধ্যাহ্নবিরতির পর দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ড রুম সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্টে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা পর্যালোচনা। সরকার এখানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির জন্য ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এই গ্যাস মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের শিল্পকারখানায় সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। গত আগস্টে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল স্থানটি পরিদর্শন করেছিল, যার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আজ সেখানে যাচ্ছেন।

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে চীন সরকার বড় অংকের ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।

গত ১০ অক্টোবর এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার ও চীনের এক্সিম ব্যাংক ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি করেছে।

এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৮৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় চীন সরকার মোট ২ দশমিক ৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান ঋণ দেবে, যা মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ প্রকল্পে ব্যয় হবে। প্রকল্পের আওতায় আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ দুটি কনটেইনার টার্মিনাল, কনটেইনার ইয়ার্ড, কনটেইনার ডেলিভারি ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে। চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্মসচিব আলিয়া মেহের এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের পক্ষে সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফেংজুন তিয়ান স্বাক্ষর করেন। গত ১২ অক্টোবর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ জানায়, চুক্তির আওতায় চীন সরকার প্রকল্পটির জন্য ২ দশমিক ৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান ঋণ দেবে।

এলাকার উন্নয়ন প্রত্যাশা নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে উপকূলীয় উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত হবে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, মোংলা ইপিজেডে চীনা বিনিয়োগকারীদের বিশেষ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি মোংলা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ও সড়ক যোগাযোগের উন্নতির বিষয়টিও তাঁর নজরে আসবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, নতুন জেটি নির্মাণের পাশাপাশি চ্যানেলে ড্রেজিং করা হলে বড় জাহাজ চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হবে। মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী ও ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান মানিক বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দ্রুত অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করার তাগিদ দিয়েছেন। অন্যদিকে পর্যটন ব্যবসায়ী ও লঞ্চ বডি মালিক সমিতির সভাপতি দিদারুল আলম সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো ও ইকোট্যুরিজমের প্রসারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া মোংলা বণিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান জানান, পদ্মা সেতু চালুর পর এই সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক বিকাশে নতুন মাইলফলক হতে পারে। সেখানে সম্ভাব্য শিল্পকারখানা, বিনিয়োগ এবং দেশের অর্থনীতিতে এর সুফল নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বন্দর ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান জাহানারা অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী মাহবুবুর রহমান মানিক বলেন, বন্দরের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দ্রুত সমাধান করা হলে স্থানীয় মানুষ ও ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন।