২০২৬-৩১ অর্থবছরের মধ্যে সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা সরকারের
- আপডেট সময় : ০৯:৩০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 26
দেশের সব মাদ্রাসায়, বিশেষ করে ইবতেদায়ি পর্যায়ে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০২৬-৩১ অর্থবছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের সকল মাদ্রাসায় এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর আওতায় ‘মাদ্রাসা শিক্ষা উৎকর্ষ সহায়তা কর্মসূচি’ (এমইইএসপি) প্রণয়ন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমেই মূলত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর আগে সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম জানতে চেয়েছিলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে অবহেলিত এতিমখানার শিক্ষার্থীরা কেন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকছে।
এদিকে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জানান, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে আগামী বছরের মধ্যেই দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের আওতায় শিক্ষার্থীরা পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় তাদের ধরে রাখতে এই পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
খাবারের মান ও বিতরণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, খাদ্যতালিকায় পুষ্টিমান বজায় রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় মা-বোনদের সম্পৃক্ত করে ‘মাদ্রাসা কমিটি’ গঠনের মাধ্যমে খাবার বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার আগামী বছরের মধ্যে এই কর্মসূচির পরিধি আরও সম্প্রসারিত করে দেশের সব উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এটি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।




















