ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় ইয়াবা-গাঁজাসহ পাঁচ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নেত্রকোনায় সাংবাদিকের ওপর হামলা: তদন্তে মাঠে পুলিশ স্পেনের কাছে হুরজেট বিক্রির সংখ্যা বাড়াচ্ছে তুরস্ক মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আবেগঘন পোস্ট দিলেন অভিনেতা অপূর্ব লেবাননে বিস্ফোরকবাহী ট্রাক জব্দ, কঠোর অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার কামচাতকায় ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কাউকে দমন করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা ঝুঁকিতে শাহ আমানত বিমানবন্দর: রানওয়েতে দফায় দফায় চুরি নুরের বক্তৃতায় মগবাজার-বাংলামোটর তোলপাড়: মন্তব্য রাশেদ খাঁনের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে জরিমানা গুনলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ

ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ : শাহেদ ৭ দিনের রিমান্ডে

  • আপডেট সময় : ০২:১৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০
  • / 190
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো: সাহেদের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েস শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। এর আগে দুই দফায় সাহেদের ৩৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, আজ দুপুর ১২টায় বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই শুনানি শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক রিমান্ড শুনানির জন্য সোমবার (১০ আগস্ট) দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে গত ২৭ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের (সাবেক দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী/অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো: মাহবুবুল হক চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: রাশেদুল হক চিশতি এবং রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইব্রাহিম খলিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে ঋণের নামে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান করপোরেট শাখা থেকে এক কোটি টাকা (সুদাসলসহ ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ : শাহেদ ৭ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় : ০২:১৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো: সাহেদের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েস শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। এর আগে দুই দফায় সাহেদের ৩৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, আজ দুপুর ১২টায় বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই শুনানি শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক রিমান্ড শুনানির জন্য সোমবার (১০ আগস্ট) দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে গত ২৭ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের (সাবেক দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী/অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো: মাহবুবুল হক চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: রাশেদুল হক চিশতি এবং রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইব্রাহিম খলিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে ঋণের নামে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান করপোরেট শাখা থেকে এক কোটি টাকা (সুদাসলসহ ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।