ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ : শাহেদ ৭ দিনের রিমান্ডে

  • আপডেট সময় : ০২:১৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০
  • / 180
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো: সাহেদের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েস শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। এর আগে দুই দফায় সাহেদের ৩৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, আজ দুপুর ১২টায় বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই শুনানি শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক রিমান্ড শুনানির জন্য সোমবার (১০ আগস্ট) দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে গত ২৭ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের (সাবেক দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী/অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো: মাহবুবুল হক চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: রাশেদুল হক চিশতি এবং রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইব্রাহিম খলিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে ঋণের নামে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান করপোরেট শাখা থেকে এক কোটি টাকা (সুদাসলসহ ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ : শাহেদ ৭ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় : ০২:১৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো: সাহেদের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েস শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। এর আগে দুই দফায় সাহেদের ৩৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, আজ দুপুর ১২টায় বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই শুনানি শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক রিমান্ড শুনানির জন্য সোমবার (১০ আগস্ট) দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে গত ২৭ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের (সাবেক দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী/অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো: মাহবুবুল হক চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: রাশেদুল হক চিশতি এবং রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইব্রাহিম খলিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে ঋণের নামে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান করপোরেট শাখা থেকে এক কোটি টাকা (সুদাসলসহ ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।