ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির মূলে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি ৩১ অক্টোবর বায়তুল মোকাররমে জামায়াতের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ লিবিয়ায় জিম্মি যুবক, থানায় গিয়েও মিলছে না সহায়তা প্রশান্ত মহাসাগরে তাপমাত্রা রেকর্ড ভাঙার আভাস, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রে ডিভি লটারি ২০২৭ চালুর নির্দেশ আদালতের ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেহের আফরোজ শাওন বাবার শেষযাত্রায় প্যারোলে মুক্তি পেলেন মৃত্যুর ঘটনা মামলার অভিযোগে কক্সবাজারে সমুদ্রস্নানে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন জোট ‘বদর’: যুক্ত চার দেশ ফেসবুকে বড় পরিবর্তন: ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হচ্ছে রিচ

বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির মূলে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি

  • আপডেট সময় : ১২:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তির পেছনে রয়েছে বর্তমান অঞ্চলের নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি। আন্তর্জাতিক নীতি গবেষণা কেন্দ্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রশিদ আল-মোহান্নাদি মনে করেন, চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো বর্তমানে যেসব সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, তার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ অত্যন্ত যৌক্তিক। বুধবার আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিরক্ষা খাতে আত্মনির্ভরশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে আল-মোহান্নাদি জানান, নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প থাকা দেশগুলো সমমানের সামরিক সক্ষমতা অর্জনে তুলনামূলক কম ব্যয় করে থাকে, যা এ চুক্তির অন্যতম অর্থনৈতিক ইতিবাচক দিক। তিনি একে প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনার একটি চমৎকার পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এই চুক্তির কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এর মাধ্যমে দেশগুলো যুক্তরাজ্য বা ফ্রান্সের মতো পশ্চিমা শক্তির ওপর সামরিক চাহিদার জন্য নির্ভরশীল না থেকে নিজেদের অঞ্চলের মধ্যেই সক্ষমতা তৈরির সুযোগ পাচ্ছে। এই আন্তঃআঞ্চলিক সহযোগিতার ফলে দেশগুলোর সামরিক প্রয়োজনীয়তা পূরণে পশ্চিমা দেশগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা কমবে বলে তিনি মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির মূলে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি

আপডেট সময় : ১২:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তির পেছনে রয়েছে বর্তমান অঞ্চলের নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি। আন্তর্জাতিক নীতি গবেষণা কেন্দ্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রশিদ আল-মোহান্নাদি মনে করেন, চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো বর্তমানে যেসব সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, তার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ অত্যন্ত যৌক্তিক। বুধবার আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিরক্ষা খাতে আত্মনির্ভরশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে আল-মোহান্নাদি জানান, নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প থাকা দেশগুলো সমমানের সামরিক সক্ষমতা অর্জনে তুলনামূলক কম ব্যয় করে থাকে, যা এ চুক্তির অন্যতম অর্থনৈতিক ইতিবাচক দিক। তিনি একে প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনার একটি চমৎকার পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এই চুক্তির কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এর মাধ্যমে দেশগুলো যুক্তরাজ্য বা ফ্রান্সের মতো পশ্চিমা শক্তির ওপর সামরিক চাহিদার জন্য নির্ভরশীল না থেকে নিজেদের অঞ্চলের মধ্যেই সক্ষমতা তৈরির সুযোগ পাচ্ছে। এই আন্তঃআঞ্চলিক সহযোগিতার ফলে দেশগুলোর সামরিক প্রয়োজনীয়তা পূরণে পশ্চিমা দেশগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা কমবে বলে তিনি মনে করছেন।