ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা স্বৈরাচার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি টঙ্গীর তুরাগ নদে নিখোঁজের ২৩ ঘণ্টা পর দুই শিশুর

সংকট কাটিয়ে আবারো শক্তিশালী অবস্থানে ফেরার পথে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত কয়েক মাসের ধারাবাহিক সংকট ও ফ্লাইট জটিলতা কাটিয়ে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখন ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। গ্রীষ্মের ছুটির মৌসুম শেষ হওয়ার সাথে সাথে বিমানবন্দরটিতে যাত্রী চলাচল এবং ফ্লাইট পরিচালনার হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুবাই বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী পল গ্রিফিথস জানিয়েছেন, এটি কোনো সাময়িক পরিস্থিতির উন্নয়ন নয়, বরং বিমানবন্দরটি আগের চেয়েও শক্তিশালী ও কার্যকরভাবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তিনি এই ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়াকে ট্রাম্পোলিনের ওপর লাফ দেওয়ার সাথে তুলনা করেছেন, যা ইঙ্গিত দেয় যে কার্যক্রম এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গতিশীল হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুবাই বিমানবন্দরকে বেশ কিছু কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা ও সংঘাতের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এছাড়া, ইউরোপের বেশ কয়েকটি এয়ারলাইনস তাদের রুট পরিবর্তনের ফলে দুবাইমুখী ফ্লাইটের সংখ্যা সাময়িকভাবে কমে গিয়েছিল। হরমুজ প্রণালি ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এখনো বিদ্যমান থাকলেও, বর্তমানে বিমান চলাচল ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে গ্রিফিথস আশ্বস্ত করেছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ অধিকাংশ বিমান সংস্থা পুনরায় তাদের নিয়মিত ফ্লাইট সূচিতে ফিরে আসবে। যে এয়ারলাইনসগুলো সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত রেখেছিল, তাদের স্বাগত জানানোর বিষয়ে রসিকতা করে গ্রিফিথস বলেন, এয়ারলাইনসগুলোকে পুনরায় দুবাইমুখী করতে প্রয়োজন হলে রানওয়েতে ফুলের তোড়া হাতে স্বাগত জানাতেও প্রস্তুত তিনি। মূলত বিমানবন্দরের দক্ষ কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টা, তাদের মনোবল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতার কারণেই চরম সংকটের সময়েও বিমানবন্দরের কার্যক্রম সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসা ও পর্যটন খাতের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে দুবাই বিমানবন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। কঠিন সময়েও বিমানবন্দরটি সচল থাকায় বৈশ্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটন কার্যক্রমের চাকা অচল হয়ে পড়েনি। একইসাথে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনেও বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কর্তৃপক্ষ এখন আশা করছে যে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথে আগামী মাসগুলোতে যাত্রী ও ফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়বে, যা আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে দুবাইয়ের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার মতে, যাত্রীদের নিরাপদ, সুরক্ষিত ও স্বাচ্ছন্দ্যে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা বিমানবন্দরের কার্যক্রম সচল রাখার অন্যতম প্রধান কারণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অর্থাৎ কিছুটা উন্নতির পর আবার থেমে যাওয়ার পরিবর্তে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংকট কাটিয়ে আবারো শক্তিশালী অবস্থানে ফেরার পথে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত কয়েক মাসের ধারাবাহিক সংকট ও ফ্লাইট জটিলতা কাটিয়ে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখন ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। গ্রীষ্মের ছুটির মৌসুম শেষ হওয়ার সাথে সাথে বিমানবন্দরটিতে যাত্রী চলাচল এবং ফ্লাইট পরিচালনার হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুবাই বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী পল গ্রিফিথস জানিয়েছেন, এটি কোনো সাময়িক পরিস্থিতির উন্নয়ন নয়, বরং বিমানবন্দরটি আগের চেয়েও শক্তিশালী ও কার্যকরভাবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তিনি এই ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়াকে ট্রাম্পোলিনের ওপর লাফ দেওয়ার সাথে তুলনা করেছেন, যা ইঙ্গিত দেয় যে কার্যক্রম এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গতিশীল হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুবাই বিমানবন্দরকে বেশ কিছু কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা ও সংঘাতের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এছাড়া, ইউরোপের বেশ কয়েকটি এয়ারলাইনস তাদের রুট পরিবর্তনের ফলে দুবাইমুখী ফ্লাইটের সংখ্যা সাময়িকভাবে কমে গিয়েছিল। হরমুজ প্রণালি ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এখনো বিদ্যমান থাকলেও, বর্তমানে বিমান চলাচল ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে গ্রিফিথস আশ্বস্ত করেছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ অধিকাংশ বিমান সংস্থা পুনরায় তাদের নিয়মিত ফ্লাইট সূচিতে ফিরে আসবে। যে এয়ারলাইনসগুলো সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত রেখেছিল, তাদের স্বাগত জানানোর বিষয়ে রসিকতা করে গ্রিফিথস বলেন, এয়ারলাইনসগুলোকে পুনরায় দুবাইমুখী করতে প্রয়োজন হলে রানওয়েতে ফুলের তোড়া হাতে স্বাগত জানাতেও প্রস্তুত তিনি। মূলত বিমানবন্দরের দক্ষ কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টা, তাদের মনোবল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতার কারণেই চরম সংকটের সময়েও বিমানবন্দরের কার্যক্রম সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসা ও পর্যটন খাতের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে দুবাই বিমানবন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। কঠিন সময়েও বিমানবন্দরটি সচল থাকায় বৈশ্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটন কার্যক্রমের চাকা অচল হয়ে পড়েনি। একইসাথে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনেও বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কর্তৃপক্ষ এখন আশা করছে যে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথে আগামী মাসগুলোতে যাত্রী ও ফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়বে, যা আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে দুবাইয়ের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার মতে, যাত্রীদের নিরাপদ, সুরক্ষিত ও স্বাচ্ছন্দ্যে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা বিমানবন্দরের কার্যক্রম সচল রাখার অন্যতম প্রধান কারণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অর্থাৎ কিছুটা উন্নতির পর আবার থেমে যাওয়ার পরিবর্তে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।