ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

চট্টগ্রামে সোনা চোরাচালান মামলায় এক ব্যক্তির ৬ বছরের কারাদন্ড

  • আপডেট সময় : ০১:২৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০১৭
  • / 231
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে সোনা চোরাচালান মামলায় এক ব্যক্তিকে ছয় বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মো. শাহে নূর বুধবার এ রায় দেন। দন্ডপাওয়া মো. বদিউল আলম চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরার বাসিন্দা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও চট্টগ্রাম মহানগর পিপি ফখরুদ্দিন জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বদিউলকে ছয় বছরের কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে তাকে আরও দুই মাস কারাভোগ করতে হবে বলে জানান তিনি।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৪৫টি সোনার বারসহ গ্রেপ্তার হন বদিউল।

এ ঘটনায় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা এবিএম রেজাউল করিম বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং ৩০ অগাস্ট অভিযোগ গঠন হয়।

পিপি ফখরুদ্দিন জানান, আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চট্টগ্রামে সোনা চোরাচালান মামলায় এক ব্যক্তির ৬ বছরের কারাদন্ড

আপডেট সময় : ০১:২৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে সোনা চোরাচালান মামলায় এক ব্যক্তিকে ছয় বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মো. শাহে নূর বুধবার এ রায় দেন। দন্ডপাওয়া মো. বদিউল আলম চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরার বাসিন্দা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও চট্টগ্রাম মহানগর পিপি ফখরুদ্দিন জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বদিউলকে ছয় বছরের কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে তাকে আরও দুই মাস কারাভোগ করতে হবে বলে জানান তিনি।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৪৫টি সোনার বারসহ গ্রেপ্তার হন বদিউল।

এ ঘটনায় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা এবিএম রেজাউল করিম বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং ৩০ অগাস্ট অভিযোগ গঠন হয়।

পিপি ফখরুদ্দিন জানান, আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেন।