ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

‘একমুখী হামলাকারী ড্রোন’ কেনার পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর

  • আপডেট সময় : ০২:২৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নিউজিল্যান্ড ‘একমুখী হামলাকারী ড্রোন’ কেনার পরিকল্পনা করছে বলে বুধবার জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস পেঙ্ক।

২০২৫ সালে নিউজিল্যান্ড আধুনিক যুদ্ধের উপযোগী করে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের পরিকল্পনা প্রকাশ করে। এর মধ্যে সাবমেরিন শনাক্তকারী হেলিকপ্টার এবং চালকবিহীন ড্রোনে বিনিয়োগের বিষয়ও রয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

পেঙ্ক জানান, প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় কম খরচের বিকল্প হিসেবে নিউজিল্যান্ড এমন হামলাকারী ড্রোন কিনতে চায়, যেগুলো পরিচালনায় মানুষের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

তিনি বলেন, এসব ‘একমুখী হামলা ড্রোনে’ বিস্ফোরক বহনের সক্ষমতা থাকবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেঙ্ক জানান, ড্রোন সরবরাহকারী নির্বাচন করতে নিউজিল্যান্ড শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করবে। বিশেষ করে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে তাদের আগ্রহ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্র নজরদারির জন্য দীর্ঘপাল্লার কিন্তু অস্ত্রবিহীন ড্রোন কেনার বিষয়ও বিবেচনা করছে নিউজিল্যান্ড।

কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ‘চ্যালেঞ্জিং ও ঝুঁকিপূর্ণ’ নিরাপত্তা পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার কথা উল্লেখ করে ২০২৫ সাল থেকে নিউজিল্যান্ড তাদের সামরিক বাহিনী পুনর্গঠনে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।

যদিও নিউজিল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তির মিত্র নয়, তবুও ওয়েলিংটন ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘একমুখী হামলাকারী ড্রোন’ কেনার পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর

আপডেট সময় : ০২:২৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নিউজিল্যান্ড ‘একমুখী হামলাকারী ড্রোন’ কেনার পরিকল্পনা করছে বলে বুধবার জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস পেঙ্ক।

২০২৫ সালে নিউজিল্যান্ড আধুনিক যুদ্ধের উপযোগী করে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের পরিকল্পনা প্রকাশ করে। এর মধ্যে সাবমেরিন শনাক্তকারী হেলিকপ্টার এবং চালকবিহীন ড্রোনে বিনিয়োগের বিষয়ও রয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

পেঙ্ক জানান, প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় কম খরচের বিকল্প হিসেবে নিউজিল্যান্ড এমন হামলাকারী ড্রোন কিনতে চায়, যেগুলো পরিচালনায় মানুষের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

তিনি বলেন, এসব ‘একমুখী হামলা ড্রোনে’ বিস্ফোরক বহনের সক্ষমতা থাকবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেঙ্ক জানান, ড্রোন সরবরাহকারী নির্বাচন করতে নিউজিল্যান্ড শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করবে। বিশেষ করে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে তাদের আগ্রহ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্র নজরদারির জন্য দীর্ঘপাল্লার কিন্তু অস্ত্রবিহীন ড্রোন কেনার বিষয়ও বিবেচনা করছে নিউজিল্যান্ড।

কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ‘চ্যালেঞ্জিং ও ঝুঁকিপূর্ণ’ নিরাপত্তা পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার কথা উল্লেখ করে ২০২৫ সাল থেকে নিউজিল্যান্ড তাদের সামরিক বাহিনী পুনর্গঠনে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।

যদিও নিউজিল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তির মিত্র নয়, তবুও ওয়েলিংটন ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস