ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাঁথিয়ায় ১৩৪ বস্তা সার জব্দ, অসাধু ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড বাংলাদেশে চার খাতে সংস্কারে লাখ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা: বিশ্বব্যাংক চীনে ড্রোন কারখানা: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও ভারতের উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তিন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি জাতীয় পুরস্কার জিতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে শাবিপ্রবির ‘স্টিচ এআই’ বিশেষ কোনো অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ দেখেই অনুপ্রাণিত ভারতের তরুণরা: নেহা বোরা চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহী বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে ফের বাড়ল ব্যয় ও পাঁচ সপ্তাহে পাঁচ খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের হেনস্থা: উদ্বেগের হিড়িক

সাঁথিয়ায় ১৩৪ বস্তা সার জব্দ, অসাধু ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড

  • আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের অন্তর্গত ঘুঘুদহ বাজারে অবৈধভাবে কৃষি উপকরণ মজুত রাখা এবং নির্ধারিত হারের চেয়ে চড়া দামে বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে আদনান মেহেরাজ ট্রেডার্সের মালিক কামরুল মিলিটারিকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া তার মালিকানাধীন গুদাম থেকে ইউরিয়া, টিএসপি এবং ডিএপি জাতের মোট ১৩৪ বস্তা সার উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি ও অনুমোদন ছাড়াই সার মজুত রাখার অপরাধে ‘সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬’ অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের বিস্তারিত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরের দিকে সাঁথিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ আল হাসান আসিফ এই অভিযান সম্পন্ন করেন। অনুমোদনহীনভাবে মজুত গড়ে তোলা এবং অতিরিক্ত মূল্য হাঁকানোর বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় ‘সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬’ অনুযায়ী ওই ব্যবসায়ীকে উক্ত জরিমানা করা হয়। উদ্ধারকৃত সার স্থানীয় চাষীদের মাঝে সঠিক ও ন্যায্য মূল্যে হস্তান্তরের জন্য নির্দেশনা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।

  • অভিযানের তারিখ১৪ অক্টোবর, বুধবার দুপুর।
  • জরিমানার পরিমাণ৩০ হাজার টাকা (সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬ অনুযায়ী)।
  • উদ্ধারকৃত সারইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি মিলিয়ে সর্বমোট ১৩৪ বস্তা।

জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তার বক্তব্য

অভিযান সমাপ্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ আল হাসান আসিফ জানান, অননুমোদিত সার মজুত ও চড়া দামে বিক্রির সুস্পষ্ট তথ্য পেয়ে আদনান মেহেরাজ ট্রেডার্সে তল্লাশি চালানো হয়। অপরাধের সত্যতা মেলায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। জব্দ সার ইউপি সদস্যের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত দামে সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে গৌরীগ্রাম ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আসলাম উদ্দিন নিশ্চিত করেন যে, ব্যবসায়ী কামরুলের দোকান ও গুদাম থেকে ১৩৪ বস্তা সার ধরা পড়েছে। প্রশাসন সারগুলো সঠিক মূল্যে সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিতরণের দায়িত্ব তাকে অর্পণ করেছে। উল্লেখ্য, এই অভিযান পরিচালনাকালে সাঁথিয়া থানা পুলিশের একটি দল এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আইভি সুলতানা সরজমিনে সক্রিয় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাঁথিয়ায় ১৩৪ বস্তা সার জব্দ, অসাধু ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের অন্তর্গত ঘুঘুদহ বাজারে অবৈধভাবে কৃষি উপকরণ মজুত রাখা এবং নির্ধারিত হারের চেয়ে চড়া দামে বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে আদনান মেহেরাজ ট্রেডার্সের মালিক কামরুল মিলিটারিকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া তার মালিকানাধীন গুদাম থেকে ইউরিয়া, টিএসপি এবং ডিএপি জাতের মোট ১৩৪ বস্তা সার উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি ও অনুমোদন ছাড়াই সার মজুত রাখার অপরাধে ‘সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬’ অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের বিস্তারিত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরের দিকে সাঁথিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ আল হাসান আসিফ এই অভিযান সম্পন্ন করেন। অনুমোদনহীনভাবে মজুত গড়ে তোলা এবং অতিরিক্ত মূল্য হাঁকানোর বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় ‘সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬’ অনুযায়ী ওই ব্যবসায়ীকে উক্ত জরিমানা করা হয়। উদ্ধারকৃত সার স্থানীয় চাষীদের মাঝে সঠিক ও ন্যায্য মূল্যে হস্তান্তরের জন্য নির্দেশনা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।

  • অভিযানের তারিখ১৪ অক্টোবর, বুধবার দুপুর।
  • জরিমানার পরিমাণ৩০ হাজার টাকা (সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬ অনুযায়ী)।
  • উদ্ধারকৃত সারইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি মিলিয়ে সর্বমোট ১৩৪ বস্তা।

জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তার বক্তব্য

অভিযান সমাপ্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ আল হাসান আসিফ জানান, অননুমোদিত সার মজুত ও চড়া দামে বিক্রির সুস্পষ্ট তথ্য পেয়ে আদনান মেহেরাজ ট্রেডার্সে তল্লাশি চালানো হয়। অপরাধের সত্যতা মেলায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। জব্দ সার ইউপি সদস্যের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত দামে সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে গৌরীগ্রাম ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আসলাম উদ্দিন নিশ্চিত করেন যে, ব্যবসায়ী কামরুলের দোকান ও গুদাম থেকে ১৩৪ বস্তা সার ধরা পড়েছে। প্রশাসন সারগুলো সঠিক মূল্যে সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিতরণের দায়িত্ব তাকে অর্পণ করেছে। উল্লেখ্য, এই অভিযান পরিচালনাকালে সাঁথিয়া থানা পুলিশের একটি দল এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আইভি সুলতানা সরজমিনে সক্রিয় উপস্থিত ছিলেন।